শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের অডিট রিপোর্টে অনুযায়ী ব্যাপক দূর্নীতির প্রমান পাওয়া গেছে ইয়ুথ সার্ভিসে। যা আইনী প্রক্রিয়াধীন থাকায় জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি এতদিন।
কা
উন্সিলের অডিটে প্রাপ্ত দূর্নীতির মধ্যে রয়েছে অস্থিত্বহীন ইয়ুথ অর্গানাইজেশনে পেমেন্টে ট্রান্সফার, অতিরিক্ত কর্মঘন্টা দেখিয়ে অর্থ উত্তোলন, স্টাফ নিয়োগে যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন না করার পাশাপাশি ডিবিএস পরীক্ষা না করা, ২১ জন স্টাফের ব্যবসায়িক স্বার্থ কাউন্সিলকে অবহিত না করা ইত্যাদি।
অডিট রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে ইয়ুথ সার্ভিসে শুধু যে আর্থিক কেলেংকারী হয়েছে তা নয়, তরুনদের বঞ্চিত করা হয়েছে নানাভাবে। প্রজেক্টটিকে একটি পরিত্যক্ত ক্ষেত্র বানানো হয়েছিলো। মেয়র বলেন, বর্তমানে আমরা অন্তবর্তীকালীন মডেলে উন্নত মানের কর্মসূচী নিয়ে ইয়ুথ প্রজেক্ট চালু রেখেছি। কোনভাবেই এর বাজেট অথবা সার্ভিস কাটা হয়নি। টাওয়ার হ্যামলেটসের ইয়ুথ সার্ভিসের বাজেট হচ্চেছ লন্ডনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
অডিট রিপোর্টে উঠে আসা এসব দূর্নীতি হয়েছে সাবেক প্রশাসনের আমলে, অর্থ ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে। দূর্নীতির পাশাপাশি ইয়ুথ সার্ভিসে দূর্বল মনিটরিং এবং নিম্নমানের ব্যবস্থাপনার প্রমানও পাওয়া গেছে।
এছাড়া ২০১৪/১৫ সালে কাউন্সিলের কার্ডের মাধ্যমে ১শ ৪৯ হাজার পাউন্ড ব্যয় করা হয়েছে। একজন কার্ড হোহ্বার এই দুই বছরে ৯১ হাজার পাউন্ড ব্যয় করেছেন এবং মোট ১৪ বার তিনি মাসিক খরচের নির্ধারিত লিমিট অতিক্রম করেছেন। এমকি কয়েকজন এই সার্ভিসে কাজ করেছেন কাউন্সিলের পেমেন্ট রুলে না থেকেই এবং তাদেরও ডিবিএস পরীক্ষা করা হয়নি। জিরো আওয়ার অথবা ১৪ ঘন্টা এবং এরও কম কর্ম ঘন্টার জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমান অর্থ ব্যয় করা হয়েছে এবং তারা হাউজিং বেনিফিট গ্রহন করেছেন। এর বাইরে ১০টি ইয়ুথ ক্লাবে শূন্য থেকে ৫ জন, ৯টি ক্লাবে ৬ থেকে ১০ জন তরুণ অংশ নিয়েছেন। ১১টিতে কতজন তরুন অংশ নিয়েছেন এর কোন সঠিক তথ্য নেই।
অডিটে প্রাপ্ত এসব তথ্যের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে বারার নির্বাহী মেয়র জন বিগস বলেছেন, এই রিপোর্টের মাধ্যমে ইয়ুথ সার্ভিসে সাবেক মেয়র প্রশাসনের আমলে ঘটে যাওয়া দূর্নীতির প্রমান ফুটে উঠেছে। মেয়র জানান, আমরা ইয়ুথ সার্ভিসের জন্য একটি স্থায়ী এবং উন্নতমানের মডেল প্রণয়ন করতে চাই। অতীতকে পিছনে ফেলে তরুনদের আরো ভালো সার্ভিস এবং এর কর্মকান্ডের পরিধি বাড়ানোর জন্য এই মডেল যাতে সফল হয় এজন্য আমরা কাজ করছি।
নির্বাহী মেয়র জানান, আমি মেয়রের দায়িত্ব নেয়ার পর এই সার্ভিসকে চরম বিশৃংখল অবস্থায় আবিষ্কার করি। দূর্বল ব্যবস্থাপনা এবং মাত্র কয়েকজনের কর্মকান্ড এর জন্য দায়ী ছিলো। তাদের কারনে বদনাম হয়েছে বেশিরভাগ পরিশ্রমি ইয়ুথ কর্মীর।
আমি আনন্দিত যে, এ বিষয়গুলো প্রকাশিত হয়েছে। আইনগত কারনে দীর্ঘদিন এগুলো অপ্রকাশিত ছিলো। সাবেক মেয়রের মতো আমি আমার দায়িত্ব এড়িয়ে যাবো না, যেখানেই অনিয়ম দেখবো সেখানেই ব্যবস্থা নিব বলে জানান নিবার্হী মেয়র জন বিগস