সুমন আহমেদ: বিট্রেনে ইমিগ্রেন্টদের বেনিফিট সুবিধা কমানো হচ্ছে। কঠোরভাবে আইনকানুনে অনেক পরিবর্তন আসছে ব্রিটেনে বসবাসের।
প্রায় এক যুগ ধরে ব্রিটেনের দরজা খোলা ব্রিটেনের ইষ্টার্ন ও ইউরোপীয় ইমিগ্যান্টদের জন্য। গত জানুয়ারী মাসে এর সাথে যুক্ত হলো রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার ইমিগ্যান্টরা। ইউরোপিয় ইমিগ্যান্টরা মূলত ব্রিটেন আসে কাজের জন্য। কিন্তু এরমধ্যে তাদের বেনিফিট আবেদনেরও সুযোগ থাকে।
খুব সম্প্রতি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ইউরোপিয়ানদের উপর বেনিফিট গ্রহনের উপর কঠোর নীতি আরোপ করার ঘোষণা দিলেন । যা অনেকের কাছে গ্রহণ যোগ্য হয়েছে। ইউরোপিয়ান ইমিগ্যান্টদের জন্য ২০০৪ সালে কিছু পরিবর্তনে মাধ্যমে কিছু সংস্কার আরেপ করা হয়। কিন্তু এবার আরো বেশি করাকরি আরোপ করতে যাচ্ছেন ক্যামেরুণ সরকার।
ফাইন্সিয়াল পত্রিকার একটি কলামে ক্যামেরুণ বলেছেন, ইউরোপিয়ান মাই্গ্যান্টরা প্রথম তিন মাস কোন বেকার ভাতা পাবে না। এরপর তারা ছয় মাসের জন্য বেনিফিট আবেদন করতে পারবে। তবে এই সময়ের মধ্যে একজন ইমিগ্যান্টকে তার নিজের কাজ খুজে নিতে হবে। যারা ব্রিটেনে নতুন কাজের খুজে আসবে তারা কোন হাউজিং বেনিফিট আবেদন করতে পারবে না। এছাড়া ঘরছাড়া ইইউ ইমিগ্যান্টদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। শধু এখানেই শেষ নয়। পুরো বারো মাসের জন্য তাদের ব্রিটেনে প্রবেশ নিষিজ্ঞ করা হবে।
অন্যদিকে ক্যমেরুন লেবার দলকে দোষলেন, ইইউ ইমিগ্যান্টদের ব্রিটেনে আসার হ্রাস রোধ না করায়। লেবার ও লিবডেম ক্যামেরুণের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও অনেককে এটাকে রাজনীতির সাথে না মিশানোর পরামর্শ দিলেন। ডেভিড ক্যামেরুণের দেয়া ঘোষণা বাস্তবায়িত করতে হলে আইনকানুনেও পরিবর্ন আনেতে হবে। এছাড়া বিষয়টি ইউরোপিয় ইউনিয়নের সাথে ব্রিটেনের সম্পর্ক আরো খারাপ হতে পারে। এরপরও ক্যামেরুন সরকার কঠোর হাতে ব্রিটেন থেকে ইইউ ইমিগ্যান্ট কমানোর হার হাতে নিতে যাচ্ছে।