বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৫

ট্রাম্পের সমালোচনায় তেরেসা মে তবে যুক্তরাষ্ট্র-বৃটেন বিশেষ সম্পর্ক চান

ট্রাম্পের সমালোচনায় তেরেসা মে তবে যুক্তরাষ্ট্র-বৃটেন বিশেষ সম্পর্ক চান

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: হিলারি ক্লিনটন বা ডোনাল্ড ট্রাম্প যিনিই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন না কেন তার সঙ্গেই বিশেষ সম্পর্ক ধওে রাখতে চান বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একদিন আগে ডনাল্ড ট্রাম্পের ওপর নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করলেন তেরেসা মে।

এ নিয়ে স্কাই নিউজে সাংবাদিক জ্যাসন ফ্যারেল লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ডনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে প্রচারণা চালিয়েছেন তা পছন্দ নয় তেরেসা মে’র। বর্তমানে তিন দিনের ভারত সফরে রয়েছেন তিনি।

এ সময় নয়া দিল্লিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, জনগণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা দাহ করছে। এ বিষয়ে ট্রাম্পের প্রতি বৃটিশ জনগণের প্রতিক্রিয়া কি এবং তেরেসা মে’রই বা কি প্রতিক্রিয়া?

এ প্রশ্নের জবাবে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেভাবে প্রচারণা চালানো হয়েছে তা আমি দেখি সাদাসিধেভাবে। আমি চেয়েছিলাম শান্ত মেজাজে সেই প্রচারণা চালানো হোক। কিন্তু সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে নির্বাচনে কে বিজয়ী হবেন সে সম্পর্কে কোনোই পূর্বাভাষ দেন নি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি বরং বলেছেন, এ বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত নেবে মার্কিন জনগণ।

উল্লেখ্য, ডনাল্ড ট্রাম্প এশবার বলেছিলেন, লন্ডনে এমন কিছু জায়গা রয়েছে যা মৌলবাদী ইসলামপন্থিদের কারণে পুলিশের জন্য ‘নো গো জোন’। এ জন্য গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথমবারের মতো সমালোচনা করেছিলেন তেরেসা মে। ওই সময় তিনি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ট্রাম্পের জবাবে তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়টিতে ট্রাম্প পুরোপুরিই ভুল। তেরেসা মে পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছিলেন, রাজনীতিবিদদেরকে অবশ্যই অতি সমর্ক হতে হয়। বিশেষ করে সন্ত্রাসের মতো ইস্যুতে, আমরা যখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছি তখন সব সম্প্রদায়কে একত্রিত করে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। এ লড়াইয়ে সম্প্রদায়গুলোকে একত্রিত করতে হয়। তাদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করে এ লড়াই করা যায় না।

উল্লেখ্য, প্রাইমারি নির্বাচনের সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। এর প্রতিবাদে শুধু লন্ডনেই একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন কমপক্ষে ৫ লাখ মানুষ। এ সংখ্যা নিয়েও তিরস্কার করেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, যে পরিমাণ মানুষ তার টুইটার অনুসরণ করেন এ সংখ্যা তার এক ভগ্নাংশ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্পের সমালোচনা থেকে নিজেকে দূওে সরিয়ে রেখেছেন তেরেসা মে। একবার এক সাক্ষাতকারে তিনি ট্রাম্পকে বিভেদ সৃষ্টিকারী বলতে অস্বীকৃতি জানান। এখন তার সামনে ব্রেক্সিটের মতো জটিল একটি বিষয়। যে করেই হোক ইউরোপের কাছ থেকে তাকে বিচ্ছেদ ঘটাতে হবে বৃটেনের। সেটা করতে গিয়ে তাকে ইউরোপের বাইরের শক্তিগুলোর সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক খুঁজে বেড়াতে হচ্ছে।

সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রতো অপরিহার্য। এ অবস্থায় যিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন বৃটিশ অর্থনীতির জন্য তেরেসা মে’কে তার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তাই তেরেসা মে আশা করেন, যুক্তরাষ্ট্রে যিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন না কেন তিনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো একই রকম দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করবেন না। ব্রেক্সিট পরবর্তী বৃটেনকে একেবারে পিছনের সারিতে ফেলে রাখা হবে না।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2025