জুয়েল রাজ: যুক্তরাজ্যে ইন্ডিয়ান কারি (রন্ধন) শিল্পকে রক্ষায় দক্ষ শেফ আনতে ভিসা নীতি সহজ করার আভাস দিলেন ইন্টারন্যাশনাল ডেবলপমেন্ট সেক্রেটারি প্রীতি প্যাটেল।
লি
ভ ক্যম্পানাইরা বলছেন ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে দক্ষ শেফ আনতে ভিসা নীতি আরো সহজ করা হবে।
প্রীতি প্যাটেলের বরাত দিয়ে এই সংবাদ জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের ডেইলি মিরর পত্রিকা। প্রীতি প্যাটাল বলেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসলে নন ইউরোপীয়দের ক্ষেত্রে অভিবাসন নীতি শিথিল করা হবে এবং কারি শিল্প রক্ষা করা হবে।
তিনি আরো বলেন, সরকারের বেইসড অভিবাসন নীতি ইইউর বাইরের দক্ষ শেফদের রক্ষা করবে, এবং ইউকেতে কাজের জন্য নিয়ে আসতে সক্ষম হবে।
ইভনিং স্ট্যান্ডার্ডকে দেয়া অন্য এক সাক্ষাতকারে প্রীতি বলেন, ব্রেক্সিটের ফলে আমরা অভিবাসন নীতি আমাদের হাতে ফেরত পেয়েছি। আমরা আমাদের কারি হাউজ রক্ষা করতে পারব।
অন্যদিকে সরকারের অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট হুডউইল জানিয়েছেন, সরকার ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে নতুন শেফ আনার পরিবর্তে ব্রিটেনে স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শেফ তৈরিতে উৎসাহ দেবে। ১.৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বিভিন্ন কারি কলেজকে শেফ প্রশিক্ষণের জন্য।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুপা হক সোমবার হাউজ অব কমন্সে কারি শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন। এবং ভিসা নীতি সহজ করার দাবি রাখেন।
শেফদের জন্য ভিসা নীতি সহজ করার জন্য কারি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠন সমূহ দীর্ঘ দিন ধরে দেন দরবার করে আসছে। যুক্তরাজ্যে কারি শিল্পকে ইন্ডিয়ান কারি শিল্প হিসাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকলেও এর প্রায় ৮০ ভাগ মালিকানা বাংলাদেশিদের হাতে। তাই ভিসা নীতি সহজ করলে বাংলাদেশিদেরি কপাল খুলবে। সেই সঙ্গে প্রকৃত শেফদের সুযোগ না দিয়ে আদম ব্যবসার শঙ্কাও দেখছেন অনেকে।