শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: কিছু কিছু ক্ষেত্রে ধর্ষণ বা জোর করে শারীরিক স¤পর্কের পক্ষে মত দিয়েছেন ইউরোপের এক চতুর্থাংশেরও বেশি মানুষ।
ইউরো
পীয় ইউনিয়ন অনুমোদিত এক রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এ রিপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে গবেষকরা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার দিকে মনোযোগ দিয়েছেন।
তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ৩০ হাজার মানুষের কাছে জানতে চেয়েছেন, বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়াকে তিনি সমর্থন করেন কিনা। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে শরীর উন্মোচিত হয় এমন পোশাক পরা কোনো মানুষ অথবা মদ পান করে মধ্যপ থাকা কারো সঙ্গে ওই সম্পর্কের কথা।
ওই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের জন্য স্টাটিস্তা একটি চার্ট করেছে।
তাতে বলা হয়েছে, জরিপে যারা অংশ নিয়েছেন ইউরোপের তারা বলেছেন, কয়েকটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক গ্রহণযোগ্য। এর মধ্যে শতকরা ১২ ভাগ বলেছেন, ধর্ষণের শিকার নারী যদি মদ বা এলকোহল পান করে মধ্যপ থাকেন তাহলে তাকে ধর্ষণ করা গ্রহণযোগ্য।
শতকরা ১১ ভাগ বলেছেন, যদি ধর্ষিতা স্বেচ্ছায় কারো সঙ্গে বাসায় যান এবং তিনি ধর্ষিত হন তাহলে তা গ্রহণযোগ্য। শতকরা ১০ ভাগ মানুষ বলেছেন, ধর্ষিতা যদি ধর্ষণে ‘না’ না বলেন এবং ধর্ষণের বিরুদ্ধে শারীরিকভাবে বাধা না দেন তাহলে তাকে ধর্ষণ করা গ্রহণযোগ্য।
তবে দেশ ভেদে শতকরা এই হার উঠানামা করে। যেমন রোমানিয়ার শতকরা ৬০ ভাগ মানুষ এসব ক্ষেত্রে ধর্ষণ মেনে নেয়া উচিত বলে গবেষকদের কাছে মত দিয়েছেন।
বৃটেনে যারা জরিপে অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে শতকরা ২২ ভাগ মনে করেন ক্রিমিনাল অপরাধ গ্রহণযোগ্য। তবে শতকরা ১২ ভাগ বলেছেন ধর্ষিতা মদ বা এলকোহল পান করে মদ্যপ থাকলে ধর্ষণ গ্রহণযোগ্য। গবেষকরা ধরে নিচ্ছেন, প্রতি ৫ জনের মধ্যে একজন নারী তাদের জীবনকালের কোনো না কোনো সময় ধর্ষিত হন।
তবে পুরুষদের প্রতি ৭১ জনের মধ্যে একজন নারীদের যৌন লালসার শিকার হন।