শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩

অত্যাধুনিক ক্ষমতা সম্পন্ন মিসাইল বানানোর চাঞ্চল্য খবর দিল চীন

অত্যাধুনিক ক্ষমতা সম্পন্ন মিসাইল বানানোর চাঞ্চল্য খবর দিল চীন

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: চীন ক্রমশ তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। মার্কিন ও রুশ মহাশক্তিকে টেক্কা দিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের সৃষ্টি করছে চীন।

দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর নেতৃত্বে ঢেলে সাজানো হচ্ছে তাদের সেনাবাহিনীকে। চীনের এই সমরসজ্জার পিছনে যে দুরভিসন্ধি রয়েছে তা দক্ষিণ চীন সাগরে দেশটির সেনাদের আগ্রাসন থেকে স্পষ্ট। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

চীনের এই ক্রমবর্ধমান সামরিক ক্ষমতায় চিন্তিত ভারত ও আমেরিকা। এমনই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে এক এক চাঞ্চল্যকর খবর দিল চীনা সংবাদমাধ্যম। এই সংবাদমাধ্যমের সূত্র হতে জানা গেছে, চীন একটি অত্যাধুনিক মিসাইল বানাচ্ছে যা আকাশ থেকে আকাশে হামলা চালাতে সক্ষম।

এই দুরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্রটি দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা শত্রুপক্ষের যুদ্ধ বিমান ও জ্বালানিবাহী বিমান মুহূর্তে ধ্বংস করে দিতে পারবে। ইতিমধ্যেই চীনের হাতে মজুত রয়েছে স্যাটেলাইট ধ্বংস করতে সক্ষম মিসাইল।

গত বছর প্রথমবার চীনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে সেই মিসাইলটির ছবি। সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি J-11B যুদ্ধ বিমানে লোড করা ছিল মিসাইলটি। অন্যান্য চীনা যুদ্ধ বিমানগুলিতে থাকবে এই মিসাইল বলেও জানা গেছে। সূত্রের খবর, প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপনাস্ত্রটি।

সম্প্রতি, তাইওয়ানের জলসীমানায় ঢুকে পড়েছিল চীনা বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিং। রাডারে সেই ছবি ধরা পড়তেই তড়িঘড়ি যুদ্ধজাহাজ, রণতরী পাঠিয়েছিল তাইওয়ান। বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে অস্ত্র মোতায়েন করছে বেইজিং। দৈত্যাকৃতির অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান, ক্লোজ ইন উইপন সিস্টেম বসছে কৃত্রিম দ্বীপে।

কৃত্রিম মার্কিন উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে, যুদ্ধবিমান, রণতরী থেকে ছোঁড়া ক্রুজ মিসাইলকেও রুখে দিতে পারবে চীনা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। পাল্টা হামলা চালাতেও তৈরি দেশটির সাংঘাতিক সব অস্ত্র। চীনের এই আগ্রাসনের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে আমেরিকা। প্রয়োজনে স্বার্থ রক্ষায় শক্তি প্রয়োগেও পিছপা হবে না বলেও জানিয়েছে ওয়াশিংটন।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026