মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২১

সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীকে বাঁচাতে নতুন কৌশল

সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীকে বাঁচাতে নতুন কৌশল

অন্যকিছু ডেস্ক: সাপে কাটা ঘটনাটি একটি অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা। আক্রান্ত ব্যক্তি এই রকম পরিস্থিতির জন্য কোন ভাবেই প্রস্তুত থাকেন না। চিকিৎসকের কাছে যাবার আগেই সাপের কামড়ে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু কোলে ঢলে পড়ার ঘটনা সবসময়ি ঘটে থাকে। সাপের ছোবলে আজও বহু মানুষের মৃত্যু হয়।

বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এই মৃত্যুর হার বেশিই। এর প্রধান কারণ হল সঠিক চিকিৎসার অভাব। হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যাবার আগেই অকালে প্রাণ চলে যায় আক্রান্ত রোগীর। জীবন ফিরে পাবার ওষুধ আবিষ্কৃত হলেও তার প্রয়োগ করা যায়না যথাযথ সময়ে। এমন পরিস্থিতিই বদলাতে পারে ভারতের হিমাচলের এক অধ্যাপকের পরিকল্পনা।

হাসপাতালে নিয়ে যাবার আগেই সাপে কাটা রোগীকে কীভাবে বাঁচানো যায় সে ব্যাপারে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন ড. ওমেশ কুমার ভারতী।

যেখানে তিনি জানান, ইমার্জেন্সি অ্যাম্বুল্যান্সেই থাক ‘অ্যান্টি স্নেক ভেনম’ বা এএসভি। যাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তা রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা যাবে। পরীক্ষামূলকভাবে এরইমধ্যে তার প্রয়োগও করা হয়েছে। এবং ফল চমকপ্রদ। সঠিক সময়ে এএসএভি প্রয়োগের ফলে বহু মানুষের প্রাণ বেঁচে গেছে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের সাম্প্রতিক গাইডলাইনেও এই পদ্ধতি স্বীকৃতি পেয়েছে।

বেশ কিছুদিন আগেই এই কাজ শুরু করেছিলেন ওই অধ্যাপক ও তার সহযোগীরা। বিনামূল্যের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবায় তা প্রয়োগ করা হয়েছিল। যেখানে দেখা যায়, গত এক বছরে অন্তত ৪২টি প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এই মডেল অন্যান্য শহরেও কাজে লাগানো হয়। এবং বহু প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়।

অন্যদিকে দেশটির এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চিকিৎসায় দেরি হওয়ার কারণে দেশে প্রায় ৫০,০০০ সাপে কাটা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সেখানে ওই মডেলের সাফল্য প্রায় ৯০ শতাংশেরও বেশি। এই তথ্যই জানাচ্ছে ব্যাপক হারে বা সরকারি স্তরে এর প্রয়োগ হলে কত মানুষের প্রাণ বাঁচনো সম্ভব হবে। ডব্লিউ এইচও’র গাইডলাইনেও তাই মিলেছে এই পদ্ধতির স্বীকৃতি।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026