শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: দুই দশকের মধ্যে রোববার প্রথমবারের মতো স্থানীয় নির্বাচন হতে চলেছে নেপালে। গৃহযুদ্ধের অবসানের পর দেশটি গণতন্ত্রের পথে চলা শুরু করেছে।
সে
পথে অনেক জটিল পথ পাড়ি দিয়ে রোববারের এ নির্বাচনকে দেখা হচ্ছে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে। দু’দফায় এ নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
সরকার আশা করছে, এ বছর শেষের দিকে সেখানে জাতীয় নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্থানীয় নির্বাচন নতুন পথ দেখাবে। রোববারের নির্বাচনে ভোট দেবেন এক কোটি ৪০ লাখ বৈধ ভোটার। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির মাওবাদী সরকার ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির মধ্যে সৃষ্ট বিরোধে নির্বাচনী প্রক্রিয়া কিছুটা পথচ্যুত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে এক দশকব্যাপী মাওবাদীদের গেরিলা যুদ্ধের অবসান ঘটে। তার আগে দেশটির রাজনীতি মারাত্মক দুর্ভোগে ছিল। ২০০৬ সালের পরও অনেকটা কণ্টকিত পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। এ সময়ে সেখানে বাতিল করা হয়েছে রাজতন্ত্র।
নেপাল পরিণত হয়েছে প্রজাতন্ত্রে। এরপর শুরু হয় সাংবিধানিক সংস্কার। বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধান সংশোধন করলেও তাতে আঞ্চলিক বিভিন্ন দলের ছিল ঘোরতর আপত্তি।
তারা অভিযোগ করে, সংশোধিত সংবিধানের অধীনে পাহাড়ি অভিজাতদের কাছে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকবে। তারা দীর্ঘদিন রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করছে। ফলে ২০১৫ সালে সেখানকার গণতান্ত্রিক যাত্রা বেশ বাধাগ্রস্ত হয়।
ওদিকে বিশ্লেষকরা বলেন, নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি না থাকার কারণে উন্নয়ন কর্মকান্ড বিলম্বিত হচ্ছে। দুর্নীতি বেড়ে গেছে। ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠন চলছে ধীর গতিতে। উল্লেখ্য, ওই ভূমিকম্পে নিহত হন প্রায় ৯ হাজার মানুষ। গৃহহারা হন ৩০ লাখ মানুষ।