বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৭

অ্যাসাঞ্জের মুক্তি দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে মায়ের ফোন

অ্যাসাঞ্জের মুক্তি দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে মায়ের ফোন

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলকে ফোন করেছেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মা ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ। জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে যাতে ইকুয়েডরে নিরাপদে যেতে দেয়া হয় এ জন্য বৃটিশ সরকারের প্রতি চাপ দেয়ার জন্য তিনি টার্নবুলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

এতে বলা হয়, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য সুইডিশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ। ব্রিসবেনে তিনি এবিসি রেডিওকে বলেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলকে ফোন করেছি। তাকে বলেছি পদক্ষেপ নিতে, একজন প্রধানমন্ত্রীর মতো দৃঢ়তা দেখাতে এবং একজন নাগরিককে সুরক্ষা দিতে। আমি তাকে বলেছি সুইডেনের সঙ্গে কথা বলতে।

কারণ, তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। মিডিয়ার কাছে মিথ্য বলেছে। এ ছাড়া আমি তাকে বলেছি আমার ছেলেকে নিরাপদে ইকুয়েডরে রাজনৈতিক আশ্রয়ে যেতে দিতে বৃটিশ সরকারকে চাপ দিতে। উল্লেখ্য, উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০১২ সাল থেকে লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডরের দূতাবাসে অবস্থান করছেন।

এর ফলে সুইডেনে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ থাকলেও তাকে সেখান থেকে বের করে সুইডেনের হাতে তুলে দিতে পারে নি বৃটেন। এখন তার বিরুদ্ধে আনীত ধর্ষণের অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে নিরাপদে বেরিয়ে আসার কথা তার।

কিন্তু মেট্রোপলিটন পুলিশ বলেছে, ওই দূতাবাস থেকে বের হলেই জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য তারা। কারণ, তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার এ অপরাধে এক বছরের জেল বা জরিমানা হতে পারে। ওদিকে গোপন তথ্য উইকিলিকসে ফাঁস করে দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বড় অপরাধীর তালিকায় আছেন অ্যাসাঞ্জ। তবে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে কোন অনুরোধ পাঠানো হয়েছে কিনা সে বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বৃটেন।

ওদিকে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা অস্ট্রেলিয়া সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে যাতে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের সঙ্গে তার নিরাপদ মুক্তি নিয়ে সমঝোতামুলক আলোচনা করে অস্ট্রেলিয়া। পাশাপাশি অ্যাসাঞ্জের নিরাপদ মুক্তি দিতে বৃটেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুলাউমি লং।

গত ফেব্রুয়ারিতে অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীদের সঙ্গে আসালোচনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ। ওদিকে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তিনি কি অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়া সমর্থন করেন কিনা।

জবাবে তিনি বলেছেন, মামলার ভিত্তিতে পাওয়া অনুরোধের ওপর নির্ভর করে আমরা এসব বিষয় বিবেচনা করি। এরই মধ্যে সুইডেনে ধর্ষণের অভিযোগ প্রত্যাহার করার পর অ্যাসাঞ্জ জনসম্মুখে এসেছেন। তাকে দেখা গেছে লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসের ব্যালকনিতে।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026