শীর্ষবিন্দু নিউজ: বৃটেনে পার্লামেন্টের সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে স্থানীয় সময় সকাল ৭ টায়। বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ৪০,০০০ টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
এ
রইমধ্যে সকালে নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে ও বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন। এ সময় দু’নেতাকেই হাস্যোজ্বল দেখায়।
নির্বাচনে মোট ৬৫০ জন এমপি নির্বাচিত হবে, ভোট দেবার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন প্রায় ৪.৬৯ কোটি ভোটার। ২০১৫ সালের সর্বশেষ নির্বাচনে রেজিস্টার্ড ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪.৬৪ কোটি। চিঠির মাধ্যমে কিছু ভোট অবশ্য এরই মধ্যে দেয়া হয়ে গেছে। ২০১৫ সালে এভাবে ১৬.৪% ভোট দেয়া হয়েছিল।
ভোট দিয়ে জেরেমি করবিন সাংবাদিক, ভোটারদের সঙ্গে কথা বললেও তেরেসা মে কোনো কথা বলেন নি। তিনি শুধু ‘হ্যালো’ বলেই ভাব বিনিময় করেছেন।
অনলাইন গার্ডিয়ান লিখেছে, উত্তর লন্ডনের হলোওয়েতে পাকেম্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন জেরেমি করবিন। ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তিনি হাসেন। হাত নাড়েন। ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। বলেন, তার দল লেবারকে প্রচারণা যুদ্ধে সামনে এগিয়ে আনার কথা।
ভোট কেন্দ্র থেকে বাইরে এসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আপনাদের সবাইকে বৃটেনের আগামী দিনের জন্য ধন্যবাদ। আজকের এ দিনটি হলো আমাদের গণতন্ত্রের। আমি মাত্র ভোট দিয়েছিল আমাদের প্রচারণা নিয়ে আমি খুবই গর্বিত। আপনাদেরকে আবারও ধন্যবাদ।
তবে তার মতো এত কথা বলেন নি প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। ভোট দেয়ার পরও তার মুখে ছিল কুলুপ আঁটা। তিনি মিডিয়াকে শুধু বলেছেন হ্যালো। তিনি কোন ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তা রিপোর্টে প্রকাশ করা হয় নি।
তবে জানানো হয়েছে, তেরেসা মে যেখানে ভোট দিয়েছেন তার বাইরেই স্টিভেনেজের অধিকারকর্মী ববি স্মিথের পিতা তার স্ত্রী শেইলা ডোয়েল স্মিথকে (৫৯) সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।
২০১৫ সালে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৬৬.৪% এবং রক্ষণশীলরা ঐ নির্বাচনে ৬৫০ টি আসনের মধ্যে ৩৩১ টি আসন পেয়ে বিজয়ী হয়েছিল। অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রের স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার কিংবা চার্চের কক্ষে। তবে অতীতে পানশালা, লন্ড্রি এবং স্কুল বাসও ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করতে হলে একটি দলকে কমপক্ষে ৩২৬ টি আসনে জয় পেতে হবে।