মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার (১৬ জুন ২০১৭) সুইডেনের রাষ্টীয় সফর শেষে দেশে ফেরার পথে লন্ডনে হিথ্রো বিমান বন্দরে যাত্রাবিরতির সময় ওয়েস্ট লন্ডনের লাটিমার রোডস্থ গ্রেনফিল টাওয়ারে জানমালের ক্ষতিতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লন্ডনস্থ মান্যবর হাইকমিশনার জনাব মোঃ নাজমুল কাওনাইনের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চান।
তিঁ
নি ব্রিটিশ-বাংলাদেশী যাঁরা এই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন, তাঁদের সবধরনের সহযোগীতা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শোকাগ্রস্থ পরিবারদের সমবেদনা জানান এবং নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এর আগে ১৪ই জুন ২০১৭, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে অবস্থানকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে‘র কাছে দুঃখ্য প্রকাশ করে একটি বার্তা পাঠান।
বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন এই দুর্ঘটনা সম্পর্কে সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছে এবং একজন কমকর্তা ইতিমধ্যেই অস্থায়ী ক্যাম্প পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের খোঁজ-খবর রাখছে। ব্রিটিশ মেট্রোপলিটন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কাছে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক পত্র প্রেরণ করা হয়, যেন তাঁরা কোন ব্রিটিশ-বাংলাদেশীদের খোঁজ পেলে তা হাইকমিশনকে দ্রুত জানায়।
ব্রিটিশ-বাংলাদেশী জনাব কমরু মিয়াসহ তাঁর পরিবারের ০৫ জন (ছেলে সত্রী রাবেয়া বেগম (৬৫), ছেলে আব্দুল হামিদ (২৮), আব্দুল হানিফ (২৫), মেয়ে হোসনা বেগম (২২) ব্যক্তির নিখোঁজ ও সম্ভাব্য মৃত্যুর খবর জানার পর মান্যবর হাইকমিশনার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের একমাত্র বেঁচে যাওয়া ছেলে আব্দুল হাকিমসহ আত্মীয়-স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং শুক্রবার সকালে তাঁদের বাড়ীতে গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর নিজের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানান।
ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। তবে তাঁদের আশংকা এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
– প্রেস বিজ্ঞপ্তি