শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: গ্রিনফল টাওয়ার গত ১৪ জুন রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে পশ্চিম লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারে আগুন লাগে। আর এই আগুনের সূত্রপাত হয় হট পয়েন্ট-এর একটি ত্রুটিপূর্ণ ফ্রিজ থেকেই। এ তথ্যে নিশ্চিত করেছে লন্ডন পুলিশ।
পু
লিশের দেয়া তথ্যে মতে, ত্রুটিপূর্ণ একটি ফ্রিজ থেকে যে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা প্রাথমিকভাবেই ধারণা করা হয়েছিল।
তবে শুক্রবার পুলিশের ডিটেকটিভ সুপারিনটেনডেন্ট ফিওনা ম্যাককরমাক জানান, ত্রুটিপূর্ণ ওই ফ্রিজটি হটপয়েন্টের তৈরি এবং সরকারের পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ওই কোম্পানির ফ্রিজগুলো পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এফএফ১৭৫বিপি মডেলের ফ্রিজটি আগে কখনও ঝুঁকিপূর্ণ বলে শনাক্ত হয়নি।
ফিওনা বলেন, গ্রিনফল টাওয়ার থেকে ইনসুলেশনের যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল সেগুলো দিয়ে নিরাপত্তা পরীক্ষা শুরু করার পর পরই তা বিস্ফোরিত হয়।
তিনি জানান, ক্ল্যাডিং এর চেয়েও অনেক বেশি দাহ্য ছিল ওই ইনসুলেশন। এখন এসব উপকরণগুলোর ব্যবহার যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ কিনা তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান ফিওনা।
তিনি বলেন, আমি গ্রেনফেল টাওয়ারের সব ক্ষতিগ্রস্তের কথা শুনতে চাই। গ্রেনফেল টাওয়ারে কারা ছিলেন সেটা জানাটাকেই আমরা এখন প্রাধান্য দিচ্ছি। গ্রেনফেল টাওয়ারে মানুষের থাকার কারণ জানতে আমরা আগ্রহী নই।
তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্যতা মাথায় রেখে অপরাধের তদন্ত চলছে। অগ্নি নিরাপত্তার পাশাপাশি ভবন ও এর সংস্কার কাজে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকটি কোম্পানিকে নিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
নিখোঁজদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছেড়ে দিয়ে এ ঘটনায় অন্তত ৭৯ জনের প্রাণহানির কথা বললেও এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলেই মনে করা হচ্ছে।
এছাড়া টাওয়ারে আগুন ছড়ানোর জন্য দায়ী বলে বিবেচিত বিতর্কিত ক্ল্যাডিং এবং ইনসুলেশন এর নিরাপত্তা পরীক্ষা করাতেও কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে বলে জানানো হয়। বলা হয়, এ ঘটনায় পুলিশ হত্যার অভিযোগ দায়েরের কথা ভাবছে।