টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস কেয়ার ডিগনিটি চার্টারে স্বাক্ষর করেছেন। গত ২৬ জুলাই স্টেপনী গ্রীনের কেয়ার সেন্টারে আনপেইড কেয়ারারদের সাথে নিয়ে তিনি এতে স্বাক্ষর করেন।
স্বাক্ষর শেষে মেয়র তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটসের হাজার হাজার আনপেইড কেয়ারার অসুস্থ, শারিরীকভাবে অক্ষম এবং রোগাক্রান্তদের দেখাশুনার মাধ্যমে আমাদের পরিবার এবং কমিউনিটিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন।
আমি বিশ্বাস করি এসব আনপেইড কেয়ারারদের অবদান খুবই মূল্যবান। আরো বিশ্বাস করি এসব কেয়ারারদের নিজস্ব চাহিদা যেমন রয়েছে তেমনি তারা যাতে তাদের গুরুত্ব বুঝতে পারেন এজন্য তাদের সাপোর্টেরও প্রয়োজন রয়েছে।
আর এজন্য টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল কেয়ার সেন্টারসহ বিভিন্ন সংস্থার সাথে পার্টনারশীপের ভিত্তিতে এই ডিগনিটি চার্টার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
মেয়র বলেন, আনপেইড কেয়ারাররা যাতে তাদের অবদান তথা সক্ষমতাকে উপলব্দি করতে পারেন এলক্ষ্যে কাউন্সিল তার পার্টনারদের সাথে নিয়ে কাজ করতে ইচ্চছুক। আর তা হতে পারে শিক্ষাদানের মাধ্যমে অথবা কর্ম ক্ষেত্রে অথবা তাদের ঘরে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে।
যেমন কাউন্সিল কেয়ার সেন্টারগুলোর মাধ্যমে তাদের ছুটির ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদেরকে উপদেশ দিয়ে এবং তাদের হয়ে কাজ করতে পারে। উল্লেখ্য যে, টাওয়ার হ্যামলেটসে বর্তমানে প্রায় ১৯ হাজার ৩শ ৫৬ জন আনপেইড কেয়ারার রয়েছেন এবং এর মধ্যে ৩ হাজার ৩শ ২৬ জনের বয়স ২৫ এর নীচে।
ডেপুটি মেয়র এবং হেলথ এন্ড এডাব্ব সার্ভিস বিষয়ক কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার র্যাচেল সন্ডার্স তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আনপেইড কেয়ারারদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে এই ডিগনিটি চার্টার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের মূল্যবান অবদানের স্বীকৃতির পাশাপাশি তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আমরা টাওয়ার হ্যামলেটসের কেয়ারিং সেক্টরে এক ধরনের সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই।
কেয়ারারর্স সেন্টারের ডাইরেক্টর নিল হার্ডি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আনপেইড কেয়ারাররা প্রফেশনালদের দ্বারা যথাযথভাবে স্বীকৃত হয়ে আসছিলেন না। তাদের অবদান সামান্যই শিকার করা হতো অথবা কখনো কখনো তাদেরকে অপ্রাসঙ্গিক এবং বিরক্তিকর হিসাবে মূল্যায়ন করা হতো। আশা করছি এই কেয়ার চার্টার এর অবসান ঘটিয়ে তাদের সাপোর্টকে মূল্যায়নের পাশাপাশি তাদেরকে সহযোগিতা দিবে যাতে করে তারা ভালো জীবন যাপন করতে পারেন।
-প্রেরিত সংবাদ