শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কয়েকজন প্রার্থীর কিছুটা অসুস্থ্য রাজনীতি চর্চা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শুক্রবার পূর্ব লন্ডনের একটি হলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন কাউন্সিলার রাবিনা খান।
এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতি সপ্তাহের মতো বৃহস্পতিবার স্যাডওয়েলের গ্লামিস রেসিডেন্ট হলে এলাকবাসীদের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে কার্য পরিচালনা করছিলেন। দিনের মধ্য সময়ে কাউন্সিলার অহিদ আহমদ ও কাউন্সিলার মাহবুব আলম অনুমতি ছাড়াই হলে প্রবেশ করে বাসিন্দাদের সাথে কথা বলতে থাকে। এবং এক পর্যায়ে তিনি মেয়র প্রার্থী রাবিনা খানের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলে ও নানা বিষয়ে তাকে হুমকি দেন।
বিশেষ করে একই বলয়ের দুই বাংলাদেশী প্রার্থীদের মধ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্লাল্টা অভিযোগ আনা হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই ভোটারদের সহানুভুতি। নির্বাচনে জয়ী হলে সাধারণ মানুষ কি সুবিধা পাবেন, বর্তমান মেয়রের ব্যর্থতার কথা জনসাধারনের কাছে তুলে না ধরে এই অপরাজনীতি আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে কিনা তা সময়ই বলে দিবে। অনেকেই বলছেন বারার ভোটাররা প্রতিবার সহানুভুতি ভোট দিবেন না। তারা এবার যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবেন।
এদিকে মেয়র প্রার্থী কাউন্সিলার অহিদ আহমদ জানান, আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেছি, এমন প্রমান নেই।
বরং রাবিনা খানই সৌজন্য বোধের পরিবর্তনে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ঐ হলে যে রাবিনা খান আছেন তা আমরা জানতাম না। আমাদের কাছে দুইজন বাসিন্দা দেখা করতে ঐখানে যেতে বললে আমরা যাই। আমরা সেখানে গিয়ে দেখি তার সার্জারি চলছে। আমরা হলের বাইরে থাকলেও তিনি সেখান থেকে বের হয়ে এসে আমাদের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেছেন। এটি স্বাক্ষী হচ্ছেন ইংলিশ কমিউনিটির বৃদ্ধ দুই পুরুষ মহিলা কেতি ব্রেইকেন ও হ্যারিওয়াইট।। তারা এ ঘটনায় খুবই ব্যতিত।
পরবর্তীতে বাংলা মিডিয়ায় দেয়া এক টিভি সাক্ষাৎকারে কেতি ব্রেইকেন ও হ্যারিওয়াইট বলেন, তারা কাউন্সিলার অহিদ আহমদের কাছেই গিয়েছিলেন একটি পিটিশন দেয়ার জন্য। সেখানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সেজন্য আমরা মর্মাহত।
এদিকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাবিনা খান বলেন এ ঘটনার কারনে তার নির্বাচনী কর্মকান্ডে কোন প্রভাব ফেলবেনা। জনগন ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে এসবের বিরুদ্ধে রূখে দাড়াবেন তিনি।
কাউন্সিলার রাবিনা খান টাওয়ার হ্যামলেটস এর মেয়র নির্বাচনে পিপলস এলায়েন্স অব টাওয়ার হ্যামলেটস দলের প্রার্থী হয়ে চাবি প্রতীক নিয়ে লড়বেন। রাচেল ভিনসেন্ট এর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলার আব্দুল আসাদ, কাউন্সিলার আমিনুর খান, আতিক মিয়া, ড্যনিয়েল ডুগান। এতে সাংবাদিক কমিউনিটির গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।