শীর্ষবিন্দু নিউজ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনের সময়সীমা পিছিয়ে দেয়ার আবেদন আপিল বিভাগ নাকচ করায় ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১০ অক্টোবরই এ নির্বাচন হবে। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ রোববার শুনানি শেষে এই আদেশ দেয়।
রায়ে বলা হয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তাদের অধিভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্রে নিজেরা উদ্যোগী হয়ে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে না। এ কারণে আদালত বিসিবির গঠনতন্ত্রের সংশোধনীকে অকার্যকর বলে রায় দেয়। ওই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আব্দুর রবের বেঞ্চ এনসিসির সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে।
এনএসসির ওই চিঠির কার্যকারিতা গত ১৩ ডিসেম্বর তিন মাসের জন্য স্থগিত করে হাই কোর্ট। ওই চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়। এরপর হাই কোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে দুটি আবেদন জমা দেয়া হয়। ওই দুটি আপিলের আবেদন গত ২৫ জুলাই মঞ্জুর করে আপিল বিভাগ। এরপর রিটকারীরা রোববার আপিল বিভাগে নির্বাচন পেছানোর আবেদন করলে তা নাকচ হয়ে যায়।
গত বছর নভেম্বরে বিসিবির গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন এনে বোর্ডকে একটি চিঠি দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ওই পরিবর্তনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হাই কোর্টে আবেদন করেন বিসিবির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ইউসুফ জামিল বাবু এবং বিসিবির সাবেক পরিচালক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন চৌধুরী।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ দিন শুনানিতে অংশ নেন। তাকে সহায়তা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইকরামুল হক টুটুল। এ আদালতে বিচারাধীন আপিলে পক্ষভুক্ত হতে বিসিবির সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর করা আবেদন নথিভুক্ত করেছে আদালত।
শুনানিতে মূল রিটের বাদীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম আমীর উল ইসলাম। বিসিবির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস, ব্যারিস্টার মো. মেহেদী হাসান চৌধুরী ও শাহ মঞ্জুরুল হক। বিসিবির সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন এএম আমিন উদ্দিন।