শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৪

সেদিন কী হয়েছিল মেলানিয়ার (ভিডিও)

সেদিন কী হয়েছিল মেলানিয়ার (ভিডিও)

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাম্প্রতিক বৈঠক নিয়ে যখন গুরুগম্ভীর ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ চলছে, তখন ইন্টারনেট দুনিয়ায় আলোড়ন তুলেছে আরেকটি ঘটনা।

ওই বৈঠকের দিন পুতিনের সঙ্গে মার্কিন ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দেখা হওয়া ও করমর্দনের একটি ভিডিওক্লিপ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। আর সেই ভিডিওটি নিয়েও এখন অনেকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন।

তাদের মতে, পুতিনের সঙ্গে করমর্দনের পর মেলানিয়ার অভিব্যক্তি স্বাভাবিক ছিল না। কেউ কেউ মনে করছেন, পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মেলানিয়া ভড়কে গিয়েছিলেন। কারও কারও মতে, মেলানিয়ার অস্বস্তিবোধ হচ্ছিলো। আবার কেউ মনে করছেন, মেলানিয়া বিরক্ত ছিলেন।

গত ১৬ জুলাই (সোমবার) ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে অনুষ্ঠিত হয় ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠক। সেসময় ট্রাম্পের সঙ্গে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়াও ছিলেন। একটি ভিডিও ক্লিপপে দেখা যায়, ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দন করছেন পুতিন।

এরপর তিনি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গেও করমর্দন করেন ও কথা কথা বলেন। হেসে হেসেই পুতিনের কথার উত্তর দেন মেলানিয়া। কয়েক সেকেন্ড পরই তারা তিনজন ছবি তোলার জন্য ক্যামেরার দিকে মুখ করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। তখন মেলানিয়ার অভিব্যক্তিতে খানিকটা অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে। তাকে মোটেও খুশি মনে হচ্ছিলো না।

সে ভিডিও ক্লিপটি এরইমধ্যে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা মেলানিয়ার ওই অভিব্যক্তির কারণ খোঁজার চেষ্টা করছেন।

সানি কার্টার নামের এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন: মেলানিয়ার চেহারা দেখুন, সে ভীত। তার মনের অবস্থা আমি বুঝতে পারছি।’ আরেকজন লিখেছেন: পুতিনের সঙ্গে করমর্দনের পর মেলানিয়ার চেহারা ও অঙ্গভঙ্গি খেয়াল করুন।

তিনি (মেলানিয়া) তাকে (পুতিন) যমের মতো ভয় পান।’ আরন ম্যাককর্ড নামের একজন টুইটারে লিখেছেন: ‘তাকে (মেলানিয়া) দেখে মনে হচ্ছে মাত্রই তিনি একজন শয়তানের চোখের দিকে তাকিয়েছেন। ওই কক্ষের শুধু একজনই বুঝতে পেরেছেন ওই ব্যক্তি (পুতিন) সত্যিকার অর্থে কতটা ভয়াবহ।’

পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর রুশ হস্তক্ষেপ নিয়ে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যকে ঘিরে যখন নানা বিতর্ক চলছে তখনই ইন্টারনেটে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে এরইমধ্যে নিজের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন ট্রাম্প। সোমবার (১৬ জুলাই) রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পাশে দাঁড়িয়ে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, হেলসিংকিতে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়ে দীর্ঘ কথা হয়েছে।

এই আলাপচারিতায় ২০১৬ সালের নির্বাচনে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার পেছনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের কোনও কারণ তিনি দেখতে পাননি।

অবশ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগেই নিশ্চিত করেছে, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ হয়েছিল। সোমবারের বক্তব্যে দৃশ্যত মার্কিন গোয়েন্দা দাবি প্রত্যাখ্যান করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সে বক্তব্য থেকে সরে এসে একদিন পরই হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন,মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি তার পূর্ণ বিশ্বাস আর সমর্থন রয়েছে।

পরে সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন, ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের জন্য পুতিন ব্যক্তিগতভাবেও দায়ী। ট্রাম্প বলেন, যেমন করে দেশের কোনও কিছুর দায়ভার আমি নেব, তেমনি করেই একটি দেশের নেতা হিসেবে অবশ্য। আপনারা তাকে দায়ী করতে পারেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তিনি পুৃতিনকে বলেছেন আর কোনও হস্তক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র সহ্য করবে না।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026