শীর্ষবিন্দু নিউজ, সিলেট: সিলেটের উত্তর-পূর্বাঞ্চলজুড়ে ভারতের অবস্থান। আর ভারতের উজান তথা মেঘালয় ও আসাম থেকে নেমে আসছে জলস্রোত।
উত্তর দিকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বিস্তৃতি। দেশটির ওই রাজ্যে টানা কয়েকদিনের ভারি বর্ষণে দেখা দিয়েছে বন্যা। সেই বন্যা শঙ্কা জাগাচ্ছে সিলেটে।
একদিকে কয়েকদিন ধরে সিলেটে বৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে ভারত থেকে জলস্রোত প্রবেশ করছে সিলেটে। এ দুইয়ে মিলে সিলেট অঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেখা গেছে, দেশটির আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব রাজ্যে গত পাঁচদিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই বৃষ্টিপাত আরো তিনদিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রের প্রধান সাথী দেবী।
স্কাইমেট ওয়েদার জানাচ্ছে, গত চারদিনে শুধুমাত্র মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতেই ১১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, সিলেটেও গেল কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। ইতিমধ্যে সিলেটের জৈন্তাপুরের সারি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত সারি নদীর পানি বিপদসীমার ০.৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাতি হচ্ছিল।
এছাড়া সুরমা, পিয়াইন ও গোয়াইন নদীর পানিও বাড়ছে। গোয়াইনঘাট উপজেলায় দেখা দিয়েছে বন্যা। গোয়াইনঘাটের পুর্ব জাফলং, আলীরগাঁও, পশ্চিম জাফলং, রুস্তমপুর, লেঙ্গুড়া, তোয়াকুল, নন্দীরগাঁও ও ডৌবাড়ী ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল তলিয়ে গেছে।
গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানিয়েছেন, ভারতের উজান থেকে নেমে আসা জলস্রোতের কারণে গোয়াইনঘাটের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ায় এসব এলাকার সবক’টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে।