মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৮:৪৪

হজে কাবা স্পর্শ করা নিষিদ্ধ: বিশেষ পাথর দিয়ে মারতে হবে শয়তানকে

হজে কাবা স্পর্শ করা নিষিদ্ধ: বিশেষ পাথর দিয়ে মারতে হবে শয়তানকে

শীর্ষবিন্দু নিউজ, রিয়াদ, সৌদি আরব: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এড়াতে এবার হজের সময় কাবা স্পর্শ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাওয়াফের সময় লোক সমাগম করতেও বারণ করা হয়েছে। -বিবিসি।

এবারের হজে ইসলামের পবিত্র নির্দশন কাবা স্পর্শ করা যাবে না। নামাজের সময় তো বটেই, কাবা শরীফ তাওয়াফের সময়ও দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে হাজীদের মধ্যে। সৌদি আরবের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায়।

হজের বিষয়ে এক স্বাস্থ্য নির্দেশনায় এসব জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। দেশটির বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাত দিয়ে আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কাবা স্পর্শ করা হজে মুসল্লিদের আকাঙ্ক্ষিত বিষয়। কিন্তু সংক্রমণ এড়াতে ইসলামের পবিত্র এ নিদর্শন এবার স্পর্শ করা যাবে না। নামাজের সময় এমনকি কাবা শরিফ তাওয়াফের সময়ও দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে হাজীদের। হজের সময় সংক্রমণ এড়াতে সৌদির সেন্টার ফর ডিজিজেস প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোলের (সিডিসি) সুপারিশে এ নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির সরকার।

সোমবার সিডিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, হজে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে যেমন নামাজ ও কাবা শরিফ তাওয়াফের সময় সামাজিক দূরত্ব (এক হাজী থেকে আরেক হাজীর মধ্যকার দূরত্ব দেড় মিটার হবে) বজায় রাখতে হবে। সীমিতসংখ্যক হাজী মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতে যাওয়ার অনুমতি পাবেন।

এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে ১৯ জুলাই থেকে। চলবে ২ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়ে হাজী ও আয়োজকদের প্রত্যেকের জন্য সর্বদা মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এর আগে অনেক জল্পনা-কল্পনার পর গত জুনে অভ্যন্তরীণ এক হাজার সৌদি নাগরিককে হজের অনুমতি দেয় সৌদি। এবার মাত্র ১০ হাজার মুসল্লি হজব্রত পালন করতে পারবেন। এবারের হজে হাজীরা কী করতে পারবেন আর পারবেন না:

সৌদি আরবের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে এই বছরের সীমিত আকারের হজে কিছু নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। কাবা ঘর ও হজরে আসওয়াদ ছুঁতে পারবেন না যারা হজ করবেন।

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের যে রীতি আছে সেখানে বিশেষ ধরনের পাথর ব্যবহার করতে হবে। হজের বিশেষ অনুমতি ছাড়া ১৯শে জুলাই থেকে হজের পঞ্চম দিনের আনুষ্ঠানিকতা পর্যন্ত কেউই মিনা, মুজদালিফাহ ও আরাফাতে যেতে পারবেন না।

যদি কারো মধ্যে উপসর্গ দেখা যায় তবে তার হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা নির্ভর করবে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণের ওপর। হাজিদের জন্য আলাদা ভবন, পরিবহন ব্যবস্থা রাখা হবে। উপসর্গ যদি বেশি হয় তাহলে হজে অংশ নিতে দেয়া হবে না।

সকল হাজিদের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হবে। মক্কার এই সুবিশাল মসজিদের সকল ফ্রিজ সরিয়ে নেয়া হবে, যার যার ব্যক্তিগত পানির পাত্রে পানি নিয়ে পান করতে হবে। আলাদা খাবারের ব্যবস্তা থাকবে। যে তাবুর নিচে হাজিরা অবস্থান করেন সেখানে প্রতি ৫০ বর্গমিটারে ১০ জনের বেশি থাকা যাবে না।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026