শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৬

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী একই সাথে উদযাপন করছে বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী একই সাথে উদযাপন করছে বাংলাদেশ

/ ১২০
প্রকাশ কাল: বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১

শীর্ষবিন্দু নিউজ, ঢাকা: স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও একই সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। এই দুই মাহেদ্রক্ষণের ঐতিহাসিক উদযাপন করছে বাংলাদেশ।

এই দুই উপলক্ষকে সামনে রেখে ১০দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের উদ্বোধন হয়েছে বুধবার ১৭ই মার্চ। দেশব্যাপী বিস্তর আয়োজনে এই দুই জোড়া উদযাপনের পরিকল্পনা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার সীমিতসংখ্যক অতিথি নিয়ে প্রতিদিনের কর্মসূচি পালন করা হয়। রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বুধবার বিকালে উৎসবের উদ্বোধন করা হয় শত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। বিকালে ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। এরপর মুজিব শতবর্ষের থিমসং উপস্থাপনা করা হয়। এটি লিখেছেন কবি কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও সুর করেছেন নকিব খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি।

অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট সরাসরি অংশ নেন। এছাড়া চীনা প্রেসিডেন্ট, জাপান ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। রাতে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন বাংলাদেশ এবং ভারতের শিল্পীরা। বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর প্যারেড স্কয়ারে ‘ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়’ শীর্ষক থিমে শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ্‌। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, মালদ্বীপের ফার্স্টলেডি ফাজনা আহমেদ, প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ-পত্নী রাশিদা খানম, বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানাসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, দেশি-বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থা প্রধান, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শিশুশিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত এবং এর পরপরই শত শিশুশিল্পীর সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। মুজিববর্ষের থিমসংয়ের মিউজিক ভিডিও পরিবেশনার পর বিমানবাহিনী ফ্লাই পাস্টের রেকর্ড করা ভিডিও প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য অংশে প্রচারিত হয় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগার ধারণ করা ভিডিওবার্তা। এরপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত অতিথি হিসেবে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ্‌ বক্তব্য দেন।

সম্মানিত অতিথিদের ‘মুজিব চিরন্তন’ শ্রদ্ধা-স্মারক উপহার দেয়ার পর সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আলোচনাপর্ব সমাপ্ত হয়। আলোচনাপর্বের পর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে ‘ভেঙেছ দুয়ার এসেছ জ্যোতির্ময়’ থিমের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত অডিও-ভিজ্যুয়ালে তুলে ধরা হয় জাতির পিতার সংগ্রামী জীবনের নানা অধ্যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র সহযোগে অর্কেস্ট্রা মিউজিকের সঙ্গে গান পরিবেশন, বঙ্গবন্ধুকে প্রতীকী চিঠি উৎসর্গ, ‘মুজিব শতবর্ষের কার্যক্রম ফিরে দেখা’ শীর্ষক ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

এছাড়াও বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে বন্ধুরাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রথম দিনের আয়োজনে ছিল ভারতের প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্করের নেতৃত্বে একটি বিশেষ পরিবেশনা। বর্ণিল আতশবাজি ও লেজার শো’র মাধ্যমে শেষ হয় প্রথম দিনের জমকালো আয়োজন। বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠান শেষ হয় রাতে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান সব টেলিভিশন ও বেতার চ্যানেল, অনলাইন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করে। ১৭ই মার্চ থেকে ২৬শে মার্চ পর্যন্ত ‘মুজিব চিরন্তন’ প্রতিপাদ্যে প্রতিদিন আলাদা থিমভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অডিওভিজ্যুয়াল এবং অন্য বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করা হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, আমরা তিমির রাত্রিতে অবস্থান করছিলাম, সেখান থেকে আমাদের আলোর পথে নিয়ে এসেছেন বঙ্গবন্ধু। সেজন্য আমাদের আজকের আয়োজন- ‘ভেঙেছ দুয়ার এসেছ জোতির্ময়, তোমারই হোক জয়।’ বঙ্গবন্ধু যেখানেই থাকো, তোমার জয় হোক। গতকালের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, বাঙালি এক হতভাগ্য জাতি। শত শত বছর বিদেশি দ্বারা, বহিরাগতদের দ্বারা, বিদেশি ভাষার দ্বারা শাসিত, শোষিত, লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত ছিল।

এরপর দেশভাগের (ভারত-পাকিস্তান) পর পাকিস্তানের সঙ্গে গিয়ে দেখলাম সেটা মহা ফাঁকিস্তান। সেই দীর্ঘ তিক্ত অভিজ্ঞতা সহজে ভুলবার নয়। বহিরাগতরা আমাদের বারবার লুণ্ঠন করেছে। এমনকি পর্তুগিজ জলদস্যু, মারাঠা দস্যুরাও লুণ্ঠন করেছে। গোলামির জিঞ্জির থেকে মুক্ত করতে এক মহাপুরুষের আবির্ভাব ঘটলো। তিনি হলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের মুক্তি দিলেন। বিনিময়ে তাকে সপরিবারে জীবন দিতে হলো। কিন্তু তিনি অমর হয়ে গেলেন। মানুষ একবারই মরে। কিন্তু তার কর্ম দ্বারা স্থির হয় তিনি অমর কি-না। তিনি আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। আমরা সেটা উপভোগ করছি। একটা পরাধীন জাতিকে গোলামির অভিশাপ থেকে মুক্ত করেছেন। এজন্য আমরা তার কাছে চিরঋণী। আল্লাহর কাছে তার জন্য মোনাজাত করি।

রফিকুল ইসলাম আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সফল হতে চললো। এমতাবস্থায় তার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। এই আয়োজনের জন্য মুখ্য সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীসহ পুরো টিমের অক্লান্ত পরিশ্রম ভুলবার নয়। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ বলেন, বঙ্গবন্ধু দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসের এক মহান ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র আর মুক্তিকামী মানুষের হৃদয়ে সব সময় সম্মানের আসনে থাকবেন তিনি। প্রেসিডেন্ট সলিহ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি। তাঁর ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশকে স্বাধীনতার পথে নিয়ে গেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণা হিসেবে থাকবেন বঙ্গবন্ধু।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিতভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমাজের বিশিষ্টজনসহ দেশি-বিদেশি শ পাঁচেক নিমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানস্থলে ছিল কঠোর নিরাপত্তা। প্রতিটি বক্তৃতার পর করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ ও জনগণের অর্থাৎ বাঙালি ও বাংলাদেশের স্বার্থকেই জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছেন। পাকিস্তানে কারাবন্দী থাকার সময় ১৯৭১ সালে ইয়াহিয়ার আপসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে একমাত্র একজন মহানায়কই এমন সাহসী উচ্চারণ করতে পারেন। নিজের দেশকে ও নিজ দেশের মানুষকে পরিবারের চেয়ে বেশি ভালোবাসলেই মৃত্যুকে জয় করে স্বাধীনতা ও মুক্তির গান গাওয়া যায়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছর পার করছি। এ সময়ে রাজনীতিতে অনেক চড়াই-উতরাই ঘটেছে। কিন্তু রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন কতটুকু হয়েছে, তা ভেবে দেখতে হবে। ব্যক্তির চেয়ে দল, দলের চেয়ে দেশ বড়—এটাই হচ্ছে রাজনীতির মূল আদর্শ। কিন্তু আজকাল যেন রাজনীতি উল্টো পথে হাঁটছে। কিছু সুবিধাবাদী লোক রাজনীতিটাকে পেশা বানিয়ে ফেলেছেন। রাজনীতি আর পেশা এক জিনিস নয়। পেশার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিজের ও পরিবার-পরিজনের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। আর রাজনীতি হচ্ছে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার একটি মহান ক্ষেত্র।

আবদুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মদিনে তাই আমি রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাব, আসুন বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের দেশ ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত করি।

সভাপতির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। আজ এমন এক সময়ে আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করতে যাচ্ছি, যখন বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হওয়ার চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আজকে বাংলাদেশ যে অবস্থানে পৌঁছেছে, সেখান থেকে তাকে সহজে অবনমন করা বা নামানো যাবে না। তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ, আমরা এই করোনাভাইরাস মহামারির অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। তবে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বাংলাদেশবিরোধী অপশক্তি এখনো দেশে-বিদেশে সক্রিয় রয়েছে। তারা নানা অপতৎপরতার মাধ্যমে এ অর্জনকে নস্যাৎ করতে চায়।’

শেখ হাসিনা বলেন, এখন শুধু আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। পেছনে ফিরে তাকানোর কোনো সুযোগ নেই। সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে এ দেশকে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শোষণ-বঞ্চনামুক্ত, ক্ষুধা-দারিদ্র্য-নিরক্ষরতামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবই, ইনশা আল্লাহ।

আলোচনা শেষে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সলিহ, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের হাতে শ্রদ্ধা স্মারক তুলে দেন জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। সব্যসাচী হাজরার ডিজাইনে করা ওই শ্রদ্ধা স্মারকে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক তর্জনী আর ৯টি উড়ন্ত পায়রা রয়েছে। স্মারকে রাখা হয়েছে টুঙ্গিপাড়ার মাটি।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজন। শুরুতে একক এবং শেষে সম্মিলিতভাবে অতিথিদের গান গেয়ে শোনান শিল্পী সাদি মহম্মদ, শিমূল ইউসুফ, রফিকুল আলম, আব্দুল হাদী ও রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’ গানটি গাইতে শুরু করলে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা হাততালি দিয়ে সংগত দেন। পরে পাঁচ শিল্পী সমবেত কণ্ঠে ‘শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি’ গাইতে শুরু করলে তাঁদের সঙ্গে দর্শক সারি থেকে ঠোঁট মেলান দুই বোন।

জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ভারতের খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্করের পরিচালনায় ভারতীয় শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করেন। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ‘মহাকালের তর্জনী’। বিকেলে আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান শুরু হবে সেই প্যারেড গ্রাউন্ডে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2021