শীর্ষবিন্দু আর্ন্তজাতিক নিউজ: মিশরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে গাজায়। শুক্রবার দিনের শুরুর দিকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর গাজায় উল্লাস করেন শত শত মানুষ। ইসরাইল ও হামাস উভয়ই জয়ের দাবি করেছে। টানা এগারো দিন ইসরাইলের বোমা হামলায় দুইশ বত্রিশ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আল জাজিরা, রয়টার্স।
অন্যদিকে, হামাসের হামলায় নিহত হন বারো ইসরাইলি। এরআগে ইসরায়েল ও হামাস বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় বলে জানায় আল জাজিরা, বিবিসি ও রয়টার্স। যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি বৈঠকে বসে।
বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা মিশরের প্রস্তাবিত চুক্তিতে রাজি হয়ে যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলেছে, এই যুদ্ধবিরতি হবে সমঝোতার ভিত্তিতে এবং নিঃশর্ত।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্থায়ী সংকট সমাধানের জন্য উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন টুইটারে বলেন, আমার বিশ্বাস ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি নাগরিকদের সমান নিরাপত্তা পাওয়ার যোগ্য। সেই সঙ্গে তাদের সমান স্বাধীনতা, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রেই অধিকারও আছে। আমার প্রশাসন সেই লক্ষ্যে নিরবে কাজ করে চলেছে। যুদ্ধবিরতির এক ঘণ্টা আগে দেওয়া এক ভাষণে বাইডেন নিহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলিরা তাদের সকল সমস্যার সমাধান শান্তিপূর্ণ কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করবে সেই প্রত্যাশা করছি।
জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির দূত টর ওয়েইনসল্যান্ড টুইট করে বলেন, ফিলিস্তিন ও ইরায়েলের যুদ্ধবিরতিকে আমি স্বাগত জানাই। সেই সঙ্গে যারা তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাদের প্রতিও আমার সমবেদনা।
I welcome the ceasefire between #Gaza & #Israel. I extend my deepest condolences to the victims of the violence & their loved ones. I commend #Egypt & #Qatar for the efforts carried out, in close contact w/ the @UN, to help restore calm. The work of building #Palestine can start.
— Tor Wennesland (@TWennesland) May 20, 2021
তিনি আরো বলেন, জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরসহ যারা এই যুদ্ধবিরতির বিষয়ে চেষ্টা করেছেন আমি সকলের প্রতিকৃতজ্ঞ।
উল্লেখ্য, ১১ দিনে ইসরায়েলের বিমান হামলায় গাজায় অন্তত ৬৫ শিশু, ৩৬ নারীসহ ২৩২ জন মারা গছেন। হামাস অবশ্য তার যোদ্ধাদের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। আর ইসরায়েলে দুই শিশুসহ ১৩ জন নিহত হয়েছে।
Leave a Reply