মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৫:২০

বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের টাকা সুইস ব্যাংকে

বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের টাকা সুইস ব্যাংকে

/ ৩৪৩
প্রকাশ কাল: শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১

শীর্ষবিন্দু নিউজ, ঢাকা: সুইস ব্যাংকে গ্রাহকের বিষয়ে কোনো ধারণা পাওয়া যায় না। তবে বাংলাদেশিদের সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ প্রায় ৭ শতাংশ কমলেও এখনও তা ১০টি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের সমান। দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের বাধ্যবাধকতা মেনে এসএনবি ওই তথ্য প্রকাশ করে।

কোনও দেশের গ্রাহকদের কী পরিমাণ অর্থ সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে জমা আছে, তার একটি ধারণা প্রতিবছর এসএনবির বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া যায়। এসএনবি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের রাখা ৫৬ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁর ৬৬ শতাংশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের। আগের বছর তা ছিলো ৭০ শতাংশের বেশি।

অর্থনীতিবীদ ড. আবু আহমেদও মনে করেন, এই অর্থের পুরোটাকে অবৈধ বলার সুযোগ নেই। কারণ যারা বিদেশে অর্থ আয় করেন, তারা বাংলাদেশের আইনের কারণে অর্থ দেশে আনতে চান না। কারণ একবার দেশে অর্থ আসলে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্ট নীতির কারণে বাইরে নেবার সুযোগ কম।

আবু আহমেদ বলেন, দেশে আনা টাকা বৈধ পথে বাইরে নেওয়া যায় খুব কম। শুধু শিক্ষা, শিল্প বা চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে খুব স্বল্প পরিমাণ অর্থ বিদেশে নেওয়া যায়। যতোদিন অর্থবাজার খুলে দেওয়া না হবে ততোদিন অবৈধ পথে অর্থ নেওয়া বন্ধ হবে না। বরং বাজার উন্মুক্ত হলে বিদেশ থেকে অর্থ আসবে, সরকারও করসহ বিভিন্ন ধরণের ফি আদায় করতে পারবে।

ড. আবু আহমেদ মনে করেন, এতেও লাভ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের। কারণ এসব দেশের ব্যাংকগুলোর মালিকানাও বিভিন্ন পশ্চিমা কোম্পানির। এ কারণে ৩য় বিশ্ব থেকে অর্থপাচার বন্ধ হচ্ছে না। কারণ একটি বৈশ্বিক চুক্তি ছাড়া তা বন্ধ করা অসম্ভব একটি বিষয়। পাচার রোধে কমোডিটি ও প্রেসাস জুয়েলারি মার্কেট গড়ার দিকে নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন এই অর্থনীতিবীদ।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ছোট। জুয়েলারি ও প্রেসাস স্টোন কেনার সুযোগও কম, কেনা যায় না গোল্ড বার। বিনিয়োগ সুযোগও নেই। ফলে যারা অর্থ বেশি আয় করছেন, তাদের অে নকেই দেশের বাইরে অর্থ পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এই ধরনের বাজার ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলেও অর্থপাচার কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ড আগে গ্রাহকদের তথ্য প্রকাশ করতো না। তবে এখন তারা কিছু পরিসরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দেশটিতে করের পরিমাণ আগের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এসব অর্থ হন্ডুরাস, বার্বাডোজ বা ক্যানারি আইল্যান্ডের মতো পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত দেশগুলোতে চলে যাচ্চে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2021