সমুদ্র সৈকতে ২০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনে এবং নজরদারি বাড়াতে ফ্রান্সকে ৫ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ড দিয়েছে ব্রিটেন। এরপরও ব্রিটেনে কয়েক হাজার অভিবাসী ছোট্ট ছোট্ট বোটে বা নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে পৌঁছেন। এরপর তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয় হোটেলে। কিন্তু হোটেল থেকে তারা পালানোর পর আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর দিয়ে ব্রিটেনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ।
ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের একই খবরে বলা হয়, এ বছর এ প্রক্রিয়ায় ব্রিটেনে গিয়েছেন ১০ হাজার ৫০০ অভিবাসী। ২০২০ সালের তুলনায় এই সংখ্যা দুই হাজার বেশি। ওদিকে ক্যালে এবং ডানকির্কে আবহাওয়া উন্নত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন ১৫০০ অভিবাসী। এসব অভিবাসী গত এক বছরে ব্রিটেনে পৌঁছার পর তাদেরকে প্রক্রিয়াকরণ করার আগেই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য রাখা হয় হোটেলে। কিন্তু সেখান থেকে পালানোর পর তারা এখন নিখোঁজ।
ওদিকে আর কত অভিবাসী এভাবে ব্রিটেনে প্রবেশ করবেন তা নিয়ে সরকারের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অভিবাসীরা ব্রিটেনে পৌঁছার পর তাদেরকে হোটেলে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয় ১০ দিনের জন্য। সারাদেশে এমন অভিবাসীরা হোটেলের ১০ হাজার বেডে অবস্থান নেন। জানুয়ারি পর্যন্ত এসব হোটেল অভিবাসীদের জন্য বুকিং করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ওদিকে নৌপথে যাওয়া অভিবাসীদের ফিরিয়ে দিতে যৌথ নৌ মহড়ায় চাপের মুখে রয়েছে ফরাসি সরকার। সমুদ্রে এসব অভিবাসীর ঢল বন্ধ করতে এবং বোটে করে অভিবাসীদের ফ্রান্সে প্রবেশ ঠেকাতে যৌথ মহড়ায় ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনকে। কিন্তু তিনি এখনও পর্যন্ত এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তার কর্মকর্তারা বলছেন, নৌ আইনে তারাই এসব অভিবাসীকে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হবে।
Leave a Reply