মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩৪

আইএস ও আল কায়েদার কতটা শক্তিশালী অবস্থান আফগানিস্তানে

আইএস ও আল কায়েদার কতটা শক্তিশালী অবস্থান আফগানিস্তানে

শীর্ষবিন্দু আর্ন্তজাতিক নিউজ: / ৭০
প্রকাশ কাল: শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১

তালেবান আফগান ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর আলোচনায় আসছে দেশটিতে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস এবং আল কায়েদার অবস্থান এখন কেমন। দলগুলো কীভাবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে এই দেশটিতে। কারণ, তালেবান ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়ে রেখেছে, আফগানের মাটিতে কোনও সন্ত্রাসী কার্যক্রম হতে দেবে না

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আইএসের শাখা সংগঠন আইএসকে। এই গোষ্ঠীটি বর্তমানে অনেক ছোট হলেও চলতি বছরে আফগানিস্তানের অনেক বেসামরিক কর্মকর্তা এবং তালেবানের বিরুদ্ধে বহু হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে আইএসকে যাত্রা শুরু করে। আইএসকেএর পুরো নাম ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রভিন্স। এই জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা আফগানিস্তানের বাইরে পাকিস্তানেও বেশ সক্রিয়

গত কয়েক মাস ধরে মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়ছে। এই সুযোগে মধ্য এশিয়া, রাশিয়ার নর্থ ককেশাস অঞ্চল, পাকিস্তান এবং চীনের জিনজিয়াং থেকে প্রায় থেকে ১০ হাজার আইএস যোদ্ধা আফাগানে ঢুকেছে

এদের অধিকাংশই তালেবান গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর অন্যরা আইএসকে এর সঙ্গে জোটবদ্ধ। এই বিষয়টি অঞ্চলটির স্থিতিশীলতা নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে তালেবান সরকারের প্রতিশ্রুতির তালিকায় প্রথমেই রয়েছে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ঠেকানো

বিশেষজ্ঞরা সন্দেহ করছেন, আফগানিস্তানের আইএস যোদ্ধারা পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা চালানোর সক্ষমতা রয়েছে। অনেকে বলছেন, আল কায়েদার চেয়ে বর্তমানে এই জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস বিশ্বের অনেক দেশের জন্য অধিক বিপজ্জনক

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এসেছে, ছয় বছর আগে পাকিস্তানের অসন্তোষ তালেবান যোদ্ধাদের হাত ধরেই আইএসকে গঠিত হয়। আর এই সংগঠনটি চলতি বছর তাদের আক্রামণের মাত্রা মারাত্মক বাড়িয়েছে

অবশ্য নিউইয়র্কের টাইমসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০১৬এর দিকে মার্কিন বিমান বাহিনী এবং আফগান কমান্ডোরা যখন আফগানিস্তানে অভিযান পরিচালনা নামে তখন তাদের সংখ্যা দুই থেকে দেড় হাজারে নেমে আসে। কিন্তু ২০২০ সালে আবারও মোড় ঘুরে যায়। গত বছরের জুন থেকে এই গোষ্ঠীটির নেতৃত্ব রয়েছে শাহাব আলমুহাজির নামক এক ক্ষুধার্ত কমান্ডার। তিনি অসন্তুষ্ট তালেবান যোদ্ধা এবং অন্যান্য জঙ্গি সদস্যদের নতুন করে দলে ভেড়াতে চেষ্টা চালাচ্ছে। জাতিসংঘ বলছে, আইএসকে সক্রিয় এবং বিপজ্জনক

এই আইএসএর বেশিরভাগই তালেবানবিরোধী ছিল। মাঝখানে এই দুই গ্রুপ পূর্ব আফগানের মাঠ দখলে নিতে লড়াই করে

গত বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরে শক্তিশালী হামলা চালিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে। তালেবান সরকার আইএস এবং আলকায়েদা কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে সেটি এখনও দেখার বিষয়




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2021