ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট ঘিরে ইউরোপে উত্তেজনার চলছে। এরই মধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেছে ইউক্রেন। সেই সঙ্গে নিজ দেশের নাগরিকদের রাশিয়া ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে।
ইউক্রেনে মস্কোর হামলার আশঙ্কার মুখে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কিয়েভ। এর অংশ হিসেবে জরুরি অবস্থা জারি করা হলো। জরুরি অবস্থা চলাকালে ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলার স্বার্থে’ আন্দোলনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, সমাবেশে বাধা এবং রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।
গত সোমবার ইউক্রেনে রুশপন্থী বিদ্রোহীনিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেখানে তিনি রুশ সেনা পাঠানোরও নির্দেশ দিয়েছেন। অঞ্চলটিতে রুশ-সমর্থিত সেনাদের সঙ্গে ইউক্রেন বাহিনীর যুদ্ধ চলছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, বুধবার এ সংক্রান্ত একটি বিল ইউক্রেনের পার্লামেন্টে পাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে জরুরি অবস্থা কার্যকর হবে।
এর আগে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওলেক্সি দানিলভ বলেন, স্বঘোষিত দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক ছাড়া ইউক্রেনের সব অঞ্চলে এ জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এক মাস জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে এই মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে।
এদিকে যুদ্ধের জন্য যেকোনো মুহূর্তের জন্য নাগরিকদের প্রস্তুত থাকতে বলেছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী। এর অংশ হিসেবে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী নাগরিকদের নিয়মিত সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply