শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ০৬:১৮

সরকার ও বিরোধী নেতাদের তোপের মুখে বরিস জনসন

সরকার ও বিরোধী নেতাদের তোপের মুখে বরিস জনসন

চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন বরিস জনসন। যদিও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন তিনি। আগামী অক্টোবর মাসে কনজারভেটিভ দলের মধ্য থেকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবে। কিন্তু সেই পর্যন্তও জনসনকে ক্ষমতায় দেখতে চান না অনেক সরকার ও বিরোধী দলীয় নেতারা।

স্কাই নিউজ জানিয়েছে, আগামী ৪ মাস জনসন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কিনা তা নিয়ে বিভক্ত মন্ত্রিসভা। অনেক মন্ত্রীরা এরইমধ্যে নতুন কাউকে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার দাবি তুলেছেন। তিনি ক্ষমতায় থেকে গেলে, ট্যাক্স এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ইস্যুতে এমন সব পদক্ষেপ নিতে পারেন যা তার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যেতে পারে। তাই এখন আপাতত ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ডমিনিক রাবকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছেন অনেকে।

বাণিজ্যমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ারটেং বলেন, আমাদের এখন যত দ্রুত সম্ভব নতুন নেতা প্রয়োজন। একই দাবি জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগ করা বিজ্ঞানমন্ত্রী জর্জ ফ্রিম্যান। তিনি বলেন, একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন। বিরোধী নেতারাও বরিসকে তত্ত্ববধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দেখতে চান না।

যদিও লেবার প্রধান স্টার্মার বলেছেন, কনজারভেটিভ দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন দিয়ে কিছু হবে না। আসলে দরকার গোটা সরকারেরই পরিবর্তন। তবে লিবারেল ডেমোক্রেট নেতা স্যার এড ড্যাভি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে জনসনকে রাখা হবে হাস্যকর। এই মানুষটি তার জীবনে কিছুরই খেয়াল রাখতে পারেননি।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2024