শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ১১:৪৮

গাজায় ঈদের আনন্দে বেঁচে থাকার লড়াই

গাজায় ঈদের আনন্দে বেঁচে থাকার লড়াই

পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ। বিশ্বজুড়ে পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দের ঢেউ। কিন্তু ফিলিস্তিনের গাজাবাসীর মধ্যে তার বিন্দুমাত্রও নেই। তারা প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার লড়াই করছেন। তাদের ওপর অবিরাম নির্বিচারে বোমা হামলা করছে ইসরাইল।

প্রায় প্রতিদিনই লাশের মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। শুক্রবারও তাদের হামলায় কমপক্ষে ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে গাজা সিটির তুফ্ফা এলাকায় হামলায় একটি নবজাতক নিহত হয়েছে। এ অবস্থায় ইতালিতে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে গাজায় বাধাহীনভাবে কাজ করতে জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক শরণার্থী সংস্থাকে অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির ডেপুটি নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ বলেছেন, পরিষ্কার পানি বা পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধাবিহীন অবস্থায় গাজার দক্ষিণে আটকে পড়েছেন কমপক্ষে ১০ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষ। সেখানে ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা হতাশাজনক। যোদ্ধাগোষ্ঠী হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেড বলেছে- তাদের কাছে থাকা জিম্মিদের দু’জন নিহত হয়েছে ইসরাইলি সেনাদের বিমান হামলায়।

ওদিকে বার্তা সংস্থা এপি রিপোর্টে বলেছে, যদি লেবাননে যোদ্ধাগোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে পূর্ণ মাত্রায় যুদ্ধ শুরু করে ইসরাইল, তাহলে লেবাননে প্যালেস্টাইনিয়ান ইসলামিক জিহাদের (পিআইজে) সিরিয়া শাখার সদস্যরা বাড়তি শক্তি সরবরাহ করতে প্রস্তুত। অর্থাৎ হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত পিআইজে।

সিরিয়ায় ইসলামিক জিহাদের জাতীয় পর্যায়ের সম্পর্ক বিষয়ক অফিসার ইসমাইল আল-সেদাবি বলেন, ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হতে চাইছেন ফিলিস্তিনের সব তরুণ। তারা প্রতিরোধে হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুক্ত হতে চান। শুক্রবার সিরিয়ায় পিআইজির একজন নিহত সদস্যের স্মরণ অনুষ্ঠানে দামেস্কে এসব কথা বলেন। ওই সদস্য ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আট মাস আগে লেবাননে নিহত হন।

ওদিকে গাজায় পানির তীব্র সঙ্কটের কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ। তারা বলেছে, সঙ্কটজনক অবস্থায় পড়েছে পানি। মানুষ অনাহারে মরতে বসেছে। একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মারাত্মকভাবে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য মাত্র দুটি ‘স্ট্যাবিলাইজেশন সেন্টার’ আছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ই অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের নৃশংস হামলায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৩৭,২৬৬। এ সময়ে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৮৫,১০২ জন ফিলিস্তিনি। কিন্তু ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেক মানুষ আটকে পড়েছেন। তাদের হিসাব এর সঙ্গে যুক্ত হয়নি। ফলে হতাহতের এই সংখ্যা একেবারে নিশ্চিত নয়। এ সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2024