পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টির জয়ের পর রাজা চার্লস আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন দলটির নেতা স্যার কিয়ার স্টারমারকে। শুক্রবার (৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী ও সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন শুরু করেছেন তিনি।
ডাউনিং স্ট্রিটে ডাক পাচ্ছেন লেবার নেতারা। এই নির্বাচনে জয়ী কোনও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি এমপিকে মন্ত্রিসভার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ডাকা হয়নি।
লেবার পার্টির নতুন মন্ত্রিসভায় এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার এমপির কাউকে ডাকা হয়নি। ব্রিটেনজুড়ে এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক ৩৪ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিভিন্ন আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গত নির্বাচনে বিজয়ী সেই চারজন ছাড়া আর কেউ জয়ী হতে পারেননি।
ব্যালটে প্রমাণ হয়েছে, এবারের নির্বাচনে নতুন কোনও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী এমপি হতে ব্যর্থ হয়েছেন। ব্রিটিশ-বাংলাদেশিরা এখনও যুক্তরাজ্যে কোনও মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পাননি। কমিউনিটিতে এবার আশা ছিল, লেবার পার্টির নতুন কেবিনেটে প্রথমবারের মতো অন্তত একজন বাংলাদেশি ঠাঁই পেতে পারেন।
১৪ বছর পর লেবার দল ক্ষমতায় এসেছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন কেবিনেট সভার শুরুতে সবচেয়ে যোগ্যরা স্থান পাবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কেবিনেটে না হলেও অন্য মন্ত্রিসভার পদগুলোতে বাংলাদেশি এমপিদের সিনিয়ররা জায়গা পাবেন বলে আশাবাদী। কেবিনেট সভার পরবর্তী পুনর্বিন্যাস পর্যন্ত আশাবাদী।
স্কাই নিউজের খবর অনুসারে, নতুন গঠিত কেবিনেটে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া সচিবদের মধ্যে অ্যাঞ্জেলা রায়নার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, র্যাচেল রিভস চ্যান্সেলর, জন হ্যালি প্রতিরক্ষাসচিব, ডেভিড ল্যামি পররাষ্ট্রসচিব এবং ইভেট কুপার স্বরাষ্ট্র সচিব, জনাথন রেনল্ডস বাণিজ্য সচিব, ব্রিজেপ ফিলিপসন শিক্ষা সচিব, ওয়েস স্ট্রিটিং স্বাস্থ্য সচিব, লিজ কেন্ডাল কর্মসংস্থান ও পেনশন সচিব, পিটার কাইল বিজ্ঞান সচিব, লুইস হেই পরিবহন সচিব, শাবানা মাহমুদ আইন সচিব ও এড মিলিব্যান্ড জ্বালানি সচিব দায়িত্ব পেয়েছেন।
Leave a Reply