শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাওয়া থাইল্যান্ডের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা এবার রাজধানী ব্যাংককে পুলিশ সদরদপ্তরে হামলা চালানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে আক্রমণ করা হবে বলে সোমবার রাতে এক সমাবেশে ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষোভকারীদের নেতা সুথেপ থাউগসুবান।
মঙ্গলবার সকালে একটি হেলিকপ্টার এসে প্রতিবাদকারীদের ওপর লিফলেট বিলি করে যায়। তাতে প্রতিবাদকারীদের স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়, তাদের নেতা সুথেপ থাউগসুবানকে বিদ্রোহের অভিযোগে খোঁজা হচ্ছে। লিফলেটে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাই অনুগ্রহ করে, থাউগসুবানের থেকে দূরে থাকুন এবং আইন অমান্যকারী জটলা থেকে বিরত থাকুন। থাকসিনের তীব্র বিরোধীতাকারী সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী থাউগসুবান সোমবার রাতে নিজের উৎফুল্ল সমর্থকদের সামনে পুলিশের তীব্র সমালোচনা করে পরদিন পুলিশ সদরদপ্তর দখল করা হবে বলে ঘোষণা দেন।
তবে পুলিশের সদরদপ্তর বা এমনকি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর গভর্নমেন্ট হাউস দখল করলেও ইংলাক সরকারের বৈধতায় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবেনা সরকার বিরোধী প্রতিবাদকারীরা। ২০১১ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিশাল বিজয়ের মাধ্যমেই থাইল্যান্ডের ক্ষমতায় এসেছে ইংলাকের ফেউ থাই পার্টি। কিন্তু আরো বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা বাড়লে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেনাবাহিনী দায়িত্ব নিতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।
এই প্রতিবাদ বিক্ষোভে ব্যাংককের একটি অংশ কাঁদুনে গ্যাসের মেঘে, রবার বুলেটে ও থেমে থেমে গুলিবর্ষণে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। প্রধানত ব্যাংককভিত্তিক অভিজাত শ্রেণী ও প্রধানমন্ত্রী ইংলাক ও তার ভাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার অনুসারীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সাম্প্রতিক এ সংঘাতের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে। jপ্রতিবাদকারীরা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং নিকটবর্তী মহানগর পুলিশের সদরদপ্তর ভাংচুর করার চেষ্টা করলেও তাদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ না করার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইংলাক।