আজ শুক্রবার। পবিত্র জুমাবার। আজকের বিষয় ‘মসজিদে আবু বকর (রা.)’। শীর্ষবিন্দু পাঠকদের জন্য এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ‘ইসলাম বিভাগ প্রধান’ ইমাম মাওলানা নুরুর রহমান।
মসজিদে আবু বকর (রা.): এটি মসজিদে গামামাহর উত্তরে অবস্থিত। হজরত আবু বকর (রা.) খলিফা থাকাকালে এ মসজিদে ঈদের সালাত পড়াতেন। তাই এটি মসজিদে আবু বকর (রা.) হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
মসজিদে কুবা, মসজিদে কিবলাতাঈন, ওহুদ পাহাড়, খন্দকের পাহাড় প্রভৃতি দেখার জন্য মসজিদে নববীর বাইরে প্রবেশপথের কাছে ট্যাক্সিচালকেরা প্যাকেজের ব্যবস্থা করে থাকেন। খরচ মাত্র ১০ রিয়াল।
সময় পেলে দেখতে পারেন মসজিদে নববীর উত্তর দিকের গেট দিয়ে বেরিয়েই সাহাবাদের মসজিদ, মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বাদশাহ ফাহাদ কোরআন শরিফ ছাপাখানা প্রকল্প।
‘আবু বকর মসজিদ’ মদিনার একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ, যা ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর স্মরণে নির্মিত। এটি মসজিদে নববীর কাছাকাছি অবস্থিত এবং বলা হয়, তিনি এখানে ঈদের সালাত আদায় করতেন।
মসজিদটি ইসলামের প্রাথমিক যুগের স্মৃতিচিহ্ন বহন করে এবং মদিনার অন্যতম দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এটি পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারের মাধ্যমে একটি আধুনিক কাঠামো লাভ করেছে, তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
মসজিদে আবু বকর সিদ্দিক রা: মদিনার মসজিদে নববীর অদূরে আল-মাসলা বা আল-মানাখা এলাকায় অবস্থিত।
জাজিরাতুল আরবের ঈদের নামাজ পড়া হয়- এমন ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর একটি মসজিদে আবু বকর সিদ্দিক রা:- যেখানে রাসূল সা: ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।
মসজিদের অনন্য স্থাপত্য শৈলীকে সংরক্ষণের উদ্দেশে পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। একইসাথে আশপাশের অন্তত ৯৩ বর্গ মিটার এলাকায় মসজিদের প্রাচীন স্থাপত্য পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

Leave a Reply