শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪১

অ্যাকর্ডের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন: পোশাক কারখানায় অনেক নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে

অ্যাকর্ডের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন: পোশাক কারখানায় অনেক নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে

শীর্ষবিন্দু নিউজ: বাংলাদেশের বিভিন্ন গার্মেন্ট পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ অ্যাকর্ড ফাউন্ডেশন। প্রাথমিকভাবে ১০টি কারখানার পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তারা। প্রতিবেদনে অগ্নি, বৈদুতিক তারের ত্রুটিপূর্ণ ওয়্যারিং, পর্যাপ্ত ফায়ার ডোর না থাকা, ফায়ার এলার্ম অকেজো হওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে তারা এসব সমস্যগুলো দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে অ্যাকর্ড।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অ্যাকর্ড আগামী ৫ বছরে ১৫শ গার্মেন্ট পরিদর্শন করবে। ইতিমধ্যে ৭৮টি পরিদর্শন শেষ হয়েছে। এর মধ্য প্রাথমিকভাবে পরিদর্শন করা ১০টি কারখানার প্রতিবেদন প্রকাশ করে তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রায় রমেশ বলেন, আমাদের গার্মেন্ট খাতকে সারা বিশ্বে নিরাপদ ও টেকসই খাত হিসেবে পরিচিত করে তুলতে চাই এবং রানা প্লাজার পরে যে ভাবমূতি নষ্ট হয়েছে তা পুনরুদ্ধার করতে চাই। এজন্য দেশি-বিদেশী সব পক্ষগুলোকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর এক হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ অ্যাকর্ড ফাউন্ডেশনের প্রধান নিরাপত্তা পরিদর্শক ব্রাড লোয়েন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাকর্ড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রব ওয়েজ ও ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রায় রমেশ। সংবাদ সম্মেলনে অ্যাকর্ডের প্রধান নিরাপত্তা পরিদর্শক ব্রাড লোয়েন বলেন, আমারা যে ১০টি গার্মেন্ট কারখানা পরিদর্শন করেছি তার মধ্যে প্রধান সমস্যগুলো চিহ্নিত করেছি। এর মধ্যে অগ্নি, বৈদুতিক তারের ওয়্যারিং নিয়মতান্ত্রিক ভাবে করা হয়নি, ত্রুটিপূর্ণ তার দিয়ে ওয়্যারিং করা হয়েছে।

এছাড় শ্রমিকদের দ্রুত বের হওয়ার জন্য ফায়ার ডোর পর্যাপ্ত নয় বলেও উল্লেখ করেন রব ওয়েজ। তিনি বলেন, কারখানাগুলোর ফায়ার এলার্ম অকেজো অবস্থায় তারা পেয়েছেন। পাশাপাশি কারখানার ভেতর কাঁচামালের সংরক্ষণ ব্যবস্থা পর্যপ্ত নয় বলে জানান তিনি। ব্রাড বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতের উন্নয়নে এসব সমস্যা দ্রুত নিরসন করতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে রব ওয়েজ জানান, ঝুঁকিতে থাকার কারণে কোন কারখানা যদি সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে উৎপাদন স্থগিতকালীন কারখানা শ্রমিকদের বেতনের দায়িত্ব মালিক পক্ষকেই নিতে হবে। তবে মালিকপক্ষ দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হলে, আলোচনা সাপেক্ষে বেতন প্রদানে ক্রেতারা অংশগ্রহণ করবে। আসলে আমরা কারখানা পরিদর্শন করছি বাংলাদেশের পোশাক খাতের উন্নয়নের স্বার্থে।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026