শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: মুছে যাক গ্নানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা-চিরায়ত এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ-১৪২১। নববর্ষের মেলা, শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী অনুষ্টানে মুখরিত হয়েছে সারাদেশ। শহর থেকে শুরু করে বাদ যায়নি গ্রাম পর্যন্ত। সারাদেশ থেকে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বর্ষবরণের কথা।
ইবি করেসপন্ডেন্ট জানান, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগে শোভাযাত্রা, পান্তা-ইলিশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বর্ণিল সব আয়োজনে মেতে ছিল ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসে বিভিন্ন বিভাগের উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থীরা ঢেঁকি, পালকি, নববধু, জেলে, গরুর গাড়ি, বাদ্য-বাজনা, শাড়ি-লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, রঙ-বেরঙের ফেস্টুন ও মুখোশের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলেন। এছাড়া, বিভিন্ন বিভাগে আয়োজন করা হয় সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকার, উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন বিভাগের সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
রাবি করেসপন্ডেন্ট জানান, ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই ক্যাম্পাসে আসতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পড়নে রং-বেরংয়ের পাঞ্জাবি-ফতুয়া, বৈশাখি শাড়ি। মুখে আল্পনা আর বৈশাখি সাজে দল বেধে ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ান তরুন-তরুণীরা। সকালে বিভিন্ন বিভাগের উদ্যোগে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় বাদ্যের তালে তালে নেচে-গেয়ে ক্যাম্পাস মাতিয়ে তোলেন শিক্ষার্থীরা। বর্ষবরণ উপলক্ষে বাংলা বিভাগ এবং বাংলা সমিতির উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলাভবন চত্বরে আয়োজন করা হয় দিনব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগের উদ্যোগে মমতাজউদ্দিন কলাভবনের সামনে সকাল থেকে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ম্যানেজমেন্ট ফোরামের উদ্যোগে রবীন্দ্র কলা ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।
মৌলভীবাজার করেসপন্ডেন্ট জানান, শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা শেষে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। সৈয়দ সলমান আলীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আজিজুর রহমান, পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেছার আহমদ প্রমুখ।
সুনামগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে একটি শোভাযাত্রা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হয়ে স্থানীয় সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও এনজিও সংস্থার কর্মীরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ অংশ নেন। শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী । এসময় সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুণ অর রশিদ ও সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আইয়ুব বখত জগলুল উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রায় অনেকে যেমন খুশি তেমন সাজোতে অংশ নেন। এতে পালকি, ঢাক-ঢোল, ঘোড়া ও মহিষের গাড়িসহ চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
রাঙামাটি করেসপন্ডেন্ট জানান, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। এসময় রাঙামাটির পুলিশ সুপার আমেনা বেগম ও রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র সাইফুল ইসলাম ভূট্টো উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রাটি রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে সেখানে বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পান্তা উৎসব পালন করা হয়। শোভাযাত্রায় অনেকে যেমন খুশি তেমন সাজোতে অংশ নেন। এতে পালকি, ঢাক-ঢোলসহ চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
খুলনা করেসপন্ডেন্ট জানান, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) বর্ণাঢ্য আয়োজনে দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ নানা কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে বর্ষবরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালকের (ছাত্র কল্যাণ) উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে দিনব্যাপী অডিটোরিয়াম ও তড়িৎ কৌশল ভবনের মধ্যবর্তী প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে রকমারি আয়োজনে সাজানো বৈশাখী মেলা। বৈশাখী মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের অংশগ্রহণে খাঁটি দেশীয় খড়মাটি দিয়ে তৈরি স্টলে পান্তা-ইলিশ, দেশীয় পিঠা প্রদর্শনী হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং দেশীয় বিভিন্ন খাবারের স্বাদ গ্রহণ করেন।
ঠাকুরগাঁও করেসপন্ডেন্ট জানান, সূর্যদয়ের সঙ্গে সঙ্গে হাজারো বাঙালি ঘর থেকে বের হয়ে একত্রিত হয় নিক্কন সংঙ্গীত বিদ্যালয়ের প্রভাতী অনুষ্ঠানে। কোর্ট চত্বর বটমুলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও বিভিন্ন শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশেন করেন। এছাড়া, আলপনা সাহিত্য সংসদের আয়োজনে সাধারণ পাঠাগার চত্বরে প্রতিবছরের মতো এবারো বসেছে সাত দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালেক্টরেট ভবনের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্র বের হয়ে শহর প্রদক্ষিন করে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি সংগঠন এ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে। মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে গ্রিনভিউ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ। এছাড়া সাধারণ পাঠাগার, উদিচী শিল্পী গোষ্ঠী, জাগো নারী বহ্নিশিখাসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করছে। সোমবার থেকে হরিমহোন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পাঁচ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় করেসপন্ডেন্ট জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সিন্ডিকেট সদস্য, রেজিস্ট্রার, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রায় চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের তৈরি বিশাল দোয়েল পাখি, নানা ধরনের ভাস্কর্য, ফেস্টুন, প্লাকার্ড বহন করার পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগ ও হলের শিক্ষার্থীরা বিচিত্র সাজে সুসজ্জিত হয়ে অংশ নেয়। পরে পুরাতন কলা ভবন চত্বরের সামনে মৃত্তিকা মঞ্চে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের আয়োজনে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
ময়মনসিংহ করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বর্ষবরণ উদযাপন পর্ষদের উদ্যোগে শহরের স্টেশন রোড মোড় থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাত্রার উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। এ সময় জেলা প্রশাসক মোস্তাকিম বিল্লাহ ফারুকী, পুলিশ সুপার মঈনুল হক, পৌর মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু, বর্ষবরণ উদযাপন পর্ষদের আহবায়ক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক আমির আহমেদ চৌধুরী রতন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রায় উৎসবে মাতোয়ারা ময়মনসিংহবাসী বাংলা সংস্কৃতির বিভিন্ন ঐতিহ্য মিশ্রিত রঙ বে-রঙের মুখোশ আর ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেন। প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এ শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে জয়নুল উদ্যানে বৈশাখী মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
মুন্সীগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট জানান, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা জেলা কালেক্টর ভবন থেকে বের হয়ে শহরের থানারপুল, জুবলি রোড প্রদক্ষিণ করে পুরাতন কাচারির জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আ’লীগের উপ দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আনিছুজ্জামান আনিছ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা সাউথ করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা শোভাযাত্রা সহকারে উপজেলা সদর নবাবগঞ্জ থিয়েটার চত্বরে চলে আসে। সকাল ৮টার দিকে নবাবগঞ্জ থিয়েটারের উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক, ভাইস চেয়ারম্যান মহসীন রহমান আকবর, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মরিয়ম জালাল ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুর করেসপন্ডেন্ট জানান, সোমবার ভোর থেকে গাজীপুর শহর ও গ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বর্ষবরণের উৎসব শুরু হয়। গাজীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নগরীর রাজবাড়ী মাঠে বসে জেলার অন্যতম বড় বৈশাখী মেলা। এছাড়া, জয়দেবপুর ক্লাব, শিমুলতলি মাঠ, চৌরাস্তা মাঠেও বসেছে বৈশাখী মেলা। গাজীপুর শহর ও শহরের মানুষও কোনো অংশে পিছিয়ে নেই বর্ষবরণ উৎসবে। গাজীপুর জেলা সদরের বাড়িয়া ইউনিয়নের ঐতিহাসিক বেলাই বিলের পাড়ে বাংলা বর্ষবরণ ১৪২১-এর আয়োজন করে সংগঠন ‘চেতনা’ গাজীপুর শাখা।
রাজশাহী করেসপন্ডেন্ট জানান, ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে এসো হে বৈশাখ, এসো এসো… গানের মধ্য দিয়ে মহানগরীর পদ্মা পাড়ের ফুদকিপাড়ার উন্মুক্ত মঞ্চে শুরু হয় বাংলা বর্ষবরণের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। সেখানে রাজশাহী সিটি করপোরেশন আয়োজন করে পান্তা-ইলিশ উৎসবের। দিনব্যাপী অন্যান্য অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল সংগীত পরিবেশনা, নৃত্য, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, গ্রমীণ খেলা, গম্ভীরা ইত্যাদি। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মহানগরীর আলুপট্টি বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এরপর পৃথক শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি রাজশাহী শিশু একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।
নোয়াখালী করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। পরে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে পান্তা-ইলিশ পরিবেশন করা হয়।
গোপালগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট জানান, সকাল ৬টার দিকে বৈতালী গেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। সকাল ৭টার দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম খায়রুল আলম খান। সকাল ১১টার দিকে ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে গোপালগঞ্জ শহর প্রদক্ষিণ করে। এ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

বাংলা বিভাগ, ইংরেজি বিভাগ, কম্পিউটায় সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও ব্যবসায় অনুষদসহ বেশ কয়েকটি বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষা মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বিকেল ৪টার দিকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অংশগ্রহণে গ্রামীণ খেলা দাঁড়িয়াবান্ধা ও বৌচি অনুষ্ঠিত হয়।
গোদাগাড়ী করেসপন্ডেন্ট জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ খালিদ হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে সকালে বর্ণাঢ্য একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি গোদাগাড়ী পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
মংলা করেসপন্ডেন্ট জানান, উপজেলার মূল ফটক থেকে বনার্ঢ্য শোভাযাত্রা ও আনন্দ র্যালি বের করে উপজেলা পরিষদ। শোভাযাত্রায় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, নারী-পুরুষ, শিশুসহ সব শেণি ও পেশার মানুষ অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি হরেক রকম সাজ আর নববর্ষের ফেস্টুন হাতে নিয়ে মংলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে, উপজেলা মাঠে আয়োজিত পান্তা-ইলিশসহ বাঙালির হরেক রকমের পিঠা ভোজে অংশ নেন শোভাযাত্রায় আংশগ্রহণকারীরা। এছাড়া, সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ ৩ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে উপজেলা পরিষদ।
বান্দরবান করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে শান্তির প্রতীক পায়রা এবং রং-বেরঙের বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে রাজার মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বান্দরবান শহর প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় অংশ নেন, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক কে. এম তারিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য্য, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুছ, বান্দরবান পৌর মেয়র মোহাম্মদ জাবেদ রেজা, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার নকিব আহমেদ চৌধুরী পিএসসি, সেনাবাহিনীর জিএসটু মেজর মাহবুব মোর্শেদ, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক মোঃ ওসমান গণি, সাংগ্রাই উদযাপন কমিটির সভাপতি অং চ মং মার্মা প্রমুখ।
শোভাযাত্রা শেষে সকাল সাড়ে ৮টায় বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়। বিকেলে শিশু একাডেমিতে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, রাজারমাঠে ঐতিহ্যবাহী বলিখেলা এবং নারীদের দাড়িয়াবান্দা খেলা, বালক-বালিকাদের মোরগ লড়াই এবং র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
ঝিনাইদহ করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ঝিনাইদহ শহরের স্থানীয় ওয়াজীর আলী হাই-স্কুলের মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। বর্ণিল সাজে সজ্জিত দৃষ্টিনন্দন শোভাযাত্রাটি শহর প্রদিক্ষণ করে। শোভাযাত্রা শেষে ঘুড়ি ওড়ানো, লাঠি খেলা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, নাচ, গান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এছাড়া, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকরা পান্তা ভাত ও ইলিশ খেয়ে বৈশাখের উৎসব পালন করেন। উৎসব মুখর এই অনুষ্ঠানে জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
যশোর করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। রং-বেরঙের পোশাক পরে পশু পাখির প্রতিকৃতি ও মুখোশ নিয়ে হাজারো মানুষ এ শোভাযাত্রার অংশ নেন। সকাল ৯টার দিকে যশোর জেলা প্রশাসকের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী পান্তা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়া, সুরবিতান, সুরধুনী ও বিবর্তন, শিশু একাডেমি, চাঁদের হাট, পুনশ্চ, তির্যক, স্পন্দনসহ প্রায় ৩০টি সংগঠন যশোরে তাদের নিজস্ব অঙ্গণে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর্ষবরণ উদযাপন করেছে।
জয়পুরহাট করেসপন্ডেন্ট জানান, সোমবার সকালে শহীদ ডা: আবুল কাশেম ময়দান থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় গ্রামবালার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ী, লাঙ্গল-জোয়াল ও মাছ ধরার পলুই ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারী সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ। পরে, জেলা প্রশাসন চত্বরে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিষদ প্রশাসক এস এম সোলায়মান আলী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল মাননান, পৌর মেয়র আবদুল আজিজ মোল্লা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা মোমিন আহমেদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নন্দ কিশোর আগরওয়ালা প্রমুখ।
ভোলা করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে ভোলা অফিসার্স ক্লাব বটমূলে প্রভাতি ও বৈশাখী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণের শুভ সূচনা করেন জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা। শহরের বাংলা স্কুল মাঠের ভাসানী মঞ্চে মেয়র বৈশাখী উৎসবে অনুষ্ঠিত হয় পান্তা ইলিশ ও সঙ্গীত পরিবেশন। উৎসবে পায়রা উড়িয়ে মেয়র বৈশাখী উৎসবের উদ্ধোধন করেন ভোলা জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান। এ সময় ভোলার পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, শ্রেণি ও পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে বাংলা স্কুল মাঠ থেকে একটি বর্নাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
দিনাজপুর করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে দিনাজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে এক বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম। এতে অংশ নেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক আহমদ শামীম আল রাজী, পুলিশ সুপার রুহুল আমীন, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আজিজুল ইমাম চৌধুরী প্রমুখ। এছাড়া, নবরূপী, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, নাট্যসমিতি, দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি, ভৈরবী, মণিমেলাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, দিনাজপুর সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, দিনাজপুর জিলা স্কুল, দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ মহাবিদ্যালয়, কালেক্টরেট স্কুলসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বর্ণাঢ্য এই মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়।
টাঙ্গাইল করেসপন্ডেন্ট জানান, সোমবার সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের পৌর উদ্যান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আনিছুর রহমান মিঞা ও উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম। শোভাযাত্রায় গ্রাম বাংলার প্রকৃতির সাজে সেজে হাজারো নারী পুরুষ অংশ নেন। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সকালে বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রেসক্লাব কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের পরিবারের সৌজন্যে পান্তা- ইলিশের আয়োজন করা হয়।
রাজবাড়ী করেসপন্ডেন্ট জানান, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রভাতী সুর ও সঙ্গীতের মাধ্যমে নববর্ষ বরণ ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ৭টার দিকে মুড়ি-মুড়কি দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন, সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রশাসক আম্রকানন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, দুপুরে হাসপাতাল, কারাগার ও শিশু পরিবারে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পরিবেশন, দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও বিকেল ৪টার দিকে সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয় দিনব্যাপী বর্ষবরণ কর্মসূচি।
মাদারীপুর করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে জেলা প্রশাসক ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ব্যতিক্রমী শোভাযাত্রায় হাজারো মানুষের ঢল নামে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশ নেন। স্থানীয় স্বাধীনতা অঙ্গন থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে শেষ হয়। এ সময় হাজার বছরের ঐতিহ্য লালিত বাঙালির সংস্কৃতি তুলে ধরে বিভিন্ন অনুসঙ্গ প্রদর্শণ করা হয়। এর মধ্যে এবিসি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী নৌকা বাইচ দৃষ্টি নন্দিত হয়। এছাড়া রং-বেরঙের মুখোশ শোভাযাত্রাকে অন্য রকম প্রাণের সঞ্চয় করে। শোভাযাত্রায় জেলা প্রশাসক জিএসএম জাফরউল্লাহ, পুলিশ সুপার খোন্দকার ফরিদুল ইসলামসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সকাল ৮টার দিকে জেলা প্রশাসকের আয়োজনে পান্তা-ইলিশের আয়োজন করা হয়।
নাটোর করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে নাটোর-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমলের নেতৃত্বে শহরের কানাইখালি মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে নাটোর রাজবাড়িতে গিয়ে শেষ হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে ঢাক, ঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে হাতি-ঘোড়ার মুখোশসহ রং-বেরঙের প্লাকার্ড হাতে শহরের লোকনাথ দিঘীর পাড়ে জড়ো হয় সর্বস্তরের মানুষ। সেখান থেকে একটি শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ফারুকী পার্ক সংলগ্ন ডিসি মেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। এতে পৌর মেয়র মো. হেলাল উদ্দিনসহ জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পরে ডিসি মেলা চত্বরে জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রভাতী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির উদ্যোগে শহরের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে বর্ষবরণ উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাগেরহাট করেসপন্ডেন্ট জানান, সকালে ৯টায় নববর্ষ উপলক্ষে বাগেরহাট স্টেডিয়াম থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিতে মঙ্গল শোভাযাত্রার সাজে অংশ নেয় শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নানা শ্রেণি -পেশার মানুষ। বাঙালি সাজ আর বাঙালি ঢংয়ে উৎসবের এ আয়োজনকে রঙিন করে তোলে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গনে আয়জিত সাত দিনব্যাপী বৈশাখী মেলায় গিয়ে শেষ হয়। এসময় বৈশাখী মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন এমপি। উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা, জেলা প্রশাসক মু. শুকুর আলী, পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্যা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাবিবুল হক খান প্রমুখ।
পাবনা করেসপন্ডেন্ট জানান, সকাল ৯টার দিকে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে পহেলা বৈশাখের র্যালি বের করা হয়। জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন এতে নেতৃত্ব দেন। র্যালিতে জেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ব্যানার ফেস্টুন ও গ্রামীণ জীবনযাত্রার রুপ ধারণ করে ঢাকঢোল বাজিয়ে অংশগ্রহণ করে। এটি শহরের আব্দুল হামিদ সড়ক হয়ে ইন্দিরা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। র্যালি শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন- পাবনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এম সাইদুল হক চুন্নু, পাবনা জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন আহমেদ ও পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।