মুহিত চৌধুরী: জুন মাস, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের ব্যস্ততার শেষ নেই।বাসা-বাড়ি অফিস-দোকান সর্বত্র পাঠানো হচ্ছে হোল্ডিং ট্যাক্সের নোটিশ।সাত-আট বছরের জমানো ট্যাক্সের নোটিশ পেয়ে অনেকেরই চোখ ছানা বড়া। নেই ব্যবসা-বাণিজ্য এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা।
পূর্ব জিন্দাবাজার হক সুপার মার্কেটের প্রিন্টিং ব্যবসায়ী মুহিবুল মুমিন জানান, সিটি কর্পোরেশন প্রতি কোয়াটারের বিল অথবা এক বছরের হোল্ডিং ট্যাক্স এক সাথে প্রদান করলে তা পরিশোধে আমাদের অসুবিধা হতো না। আমাকে গত সাত বছরের হোল্ডিং ট্যাক্স বাবত ৩৬হাজার টাকার নোটিশ দেয়া হয়েছে। যা জুন মাসের মধ্যে আমাকে পরিশোধ করতে হবে। এটা সত্যি আমার জন্য কষ্টকর এবং বিব্রতকর।নগরবাসীর অনেকেই হোল্ডিং ট্যাক্সের বিষয়টি নিয়ে বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর উপর ক্ষোভ ও নানা ধরনের মন্থব্য করতেও লক্ষ করা গেছে।
কেন এক সাথে ৭ বছরের বিল দেয়া হচ্ছে, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের এক রাজস্ব কর্মকর্তাকে এ প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, পূর্ববর্তী মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান হয়তো রাজনৈতিক কারনে গত সাত-বছর হোল্ডিং ট্যাক্সে আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, সাত বছরের জমানো হোল্ডিং ট্যাক্সের নোটিশের বিষয়টি বর্তমান মেয়রের উচিত নগরবাসীকে ব্যখ্যা করা।তা না হলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ মেয়র-এর উপর পড়বে।
-দৈনিক সিলেট