শীর্ষবিন্দু নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টায় এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহ্রিয়ার আলম বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশের পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং চীনের পক্ষে সই করেন সে দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী গাও সুচিং। প্রস্তাবিত টানেলের দৈর্ঘ্য হবে তিন কিলোমিটার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা। এছাড়া দুই লাইন বিশিষ্ট এ টানেলের উভয় পাশে আরো দেড় কিলোমিটার করে সংযোগ সড়ক থাকবে।
টানেল দিয়ে চলাচলকারী যানের গতি হবে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। টানেল নির্মাণের ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে চট্টগ্রাম শহরের যোগাযোগে আমূল পরিবর্তন আসবে। এরফলে নতুন আরেকটি শহর গড়ে উঠবে। যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও আসবে পরিবর্তন। টানেল নির্মিত হলে যোগাযোগ এবং পর্যটন খাতেও চট্টগ্রামে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, প্রস্তাবিত টানেলের স্থান নির্ধারণ এবং এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য চীনের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিসিসিসিএল (চায়না কমিউনিকেট কনস্ট্রাক্ট কোম্পানি লিমিটেড) এবং হংকংয়ের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আরোপ’র সঙ্গে গত বছরের মার্চ মাসে চুক্তি হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, তারা প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য তিনটি পয়েন্ট প্রাথমিকভাবে বাছাই করে। আরো যাচাই-বাছাই শেষে চলতি মাসে চূড়ান্ত সমীক্ষা রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত পয়েন্ট তিনটি হলো পয়েন্ট এ সদরঘাট, পয়েন্ট বি পোর্ট কানেকটিং রোড এবং পয়েন্ট সি কর্ণফুলী নদীর মোহনা।