শীর্ষবিন্দু নিউজ: দীর্ঘ সাত বছর পর সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা হয়েছে। সিলেট নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টের ফলের বাজার সংলগ্ন এই মূল্যবান ভুমি দীর্ঘদিন থেকে বেদখল ছিল। বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো: শরীফুজ্জামান এই সম্পত্তি উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করেন। অভিযানের শুরু থেকে শেষপর্যন্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এসময় সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসন উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুজ্জামান খানের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার আম্বরখানা পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকার এই ৮ শতক জমি উদ্ধার করতে গেলে জমির মালিকানা দাবি করে জনৈক মো. ফাহিম আহমদ অভিযান কাজে বাধা দেন। এসময় ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। মেয়র উপস্থিত হওয়ার আগেই জমির মালিক দাবিদার ফাহিম চলে যান। অভিযানকালে বেশ কয়েকটি দোকান, অবৈধ স্থাপনা, সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলা হয়। এসময় অবৈধ দখলদাররাও নিজ উদ্যোগে মালামাল সরিয়ে নেন।
এ ব্যাপারে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টের এই মূল্যবান জমি অবৈধভাবে দখলদাররা ভোগ করছিল। এই জমি কাজে লাগিয়ে আয়কৃত অর্থ নগর উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, সিসিকের যতো জায়গা অবৈধ দখলে রয়েছে সে সব কোটি কোটি টাকার ভূমি পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে কর্পোরেশনের নিজস্ব আয়ের পথ প্রসারিত করা হবে। মেয়র আরিফ আরো বলেছেন, সিটি কর্পোরেশনের ভুমি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোটি কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে কর্পোরেশনের নিজস্ব আয়ের পথ প্রসারিত করা হবে।
মেয়র বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অনেক সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কোটি টাকার সম্পত্তি মাসিক ২০০ টাকায় লিজ দেয়া হয়েছে। এগুলো আমরা পর্যায় ক্রমে উদ্ধার করবো। অভিযানকালে সিটি কাউন্সিলরদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো: ইলিয়াছুর রহমান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিকন্দর আলী, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছয়ফুল আমিন বাকের, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেলওয়ার হোসেন সজিব, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিন।