নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মহসীন আলীর অপসারণ দাবি করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। হেফাজত আমীর আল্লামা আহমদ শফী ও মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাটহাজারী ভিত্তিক এ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মাওলানা আবু রায়হানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়। বিবৃতিতে হেফাজত আমীর ও মহাসচিব বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মাদ্রাসা শিক্ষা ও আলেম-ওলামা সম্পর্কে হিংসাত্মক, ঔদ্ধত্বপূর্ণ ও বাস্তবতাবর্জিত বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। এজন্য জাতির কাছে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যতায় তাকে অবিলম্বে অপসারণ করে সরকারকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনারা ইসলাম ও ধর্মীয় শিক্ষার শত্রু নন।
আল্লামা শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, সম্প্রতি একটি জনসভায় দেওয়া বক্তব্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে অনুদানপ্রাপ্ত বিভিন্ন এতিমখানায় মন্ত্রী কুরআন-হাদিস ও মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি ‘ঘৃণা’ পোষণ করে চিঠি দিয়েছেন। মন্ত্রিত্বের ক্ষমতাবলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যেসব নির্দেশনা জারি করেছেন তা সরাসরি ধর্মীয় শিক্ষার জন্য হুমকি স্বরূপ বলেও দাবি করেন তারা।
অবিলম্বে মহসীন আলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে জনগণের ক্ষোভ কঠোর আন্দোলনে রূপ নেবে। বিবৃতিতে হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, নায়েবে আমীর আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, আল্লামা শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ, মুফতি মুজাফফর আহমদ, আল্লামা আবদুল মালেক হালিম, আল্লামা আবদুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, আল্লামা তাফাজ্জল হক হবিগঞ্জ, আল্লামা শামসুল আলম, মাওলানা তাজুল ইসলাম পীর সাহেব ফিরোজ শাহের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।