অন্যান্য জন্ডিসের মতোই ত্বক, চোখ, জিভের িনচ বা প্রস্রাব হলুদ রং ধারণ করে। জ্বর, অরুচি, বমি ভাব, বমি থাকতে পারে। তবে বিশেষভাবে এ ধরনের জন্ডিসে পেটব্যথা থাকতে পারে, সঙ্গে প্রচণ্ড চুলকানি। মল পাতলা, দুর্গন্ধযুক্ত বা মেটে রঙের হতে পারে।
চিকিৎসাও ভিন্ন
সাধারণ ভাইরাসজনিত জন্ডিসে পূর্ণ বিশ্রাম, সহজপাচ্য খাবার ও দু-একটি বমির ওষুধই চিকিৎসা। অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিসে কিন্তু তা নয়। এ ক্ষেত্রে কারণটি দূর করার পদক্ষেপটি জরুরি। নয়তো বারবার এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমেই দরকার কারণ নির্ণয়—পিত্তরসের পথে বাধাটা কোথায় ও কী? তারপর চিকিৎসা।
১. পিত্তথলিতে পাথর হলে তা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা যায়, সংক্রমণ বা প্রদাহের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা দরকার হয়।
২. পিত্তনালিতে পাথর থাকলে ইআরসিপি একটি কার্যকর পদ্ধতি, যাতে অস্ত্রোপচার না করে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে পাথর বা বাধা অপসারণ করা যায়।
৩. অগ্ন্যাশয়ের মাথার দিকে টিউমার বা ক্যানসার হলে জটিল অস্ত্রোপচারের দরকার হয়।
সার্জারি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ডা. মহিউদ্দিন কাউসার: জন্ডিসের কারণ সব সময় যকৃতের সমস্যা বা হেপাটাইটিস ভাইরাস সংক্রমণ নয়। পিত্তথলি থেকে পিত্তরস ঠিকমতো বের হতে না পারলেও জন্ডিস হতে পারে। একে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস। এই জন্ডিসে ত্বকে হতে পারে অসহনীয় চুলকানি।
