
শরীর স্বাস্থ্য ডেস্ক: যুগান্তকারী এক গবেষণায় জানা গেছে, চিন্তা করা, বোঝা, শেখা, মনে রাখার ক্ষমতা এবং শ্রবণশক্তির সঙ্গে জিনের সম্পর্ক ওতপ্রোত।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ল্যুইসভিল স্কুল অব মেডিসিন এবং ভারতের স্যার গঙ্গা রাম হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমএমপি-৯ জিনটি এ ক্ষমতাগুলো হ্রাসে প্রধান ভূমিকা রাখে। মলিক্যিউলার বায়োলজি রিপোর্টস সাময়িকীর মে মাসের সংখ্যায় গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।
রক্তে অস্বাভাবিকভাবে উচ্চমাত্রায় হোমোসিস্টিন উপাদান থাকার ফলে হাইপারহোমোসিস্টিনিমিয়া (এইচএইচসিওয়াই) জাতীয় সমস্যা হতে পারে। এর ফলে পূর্বে উল্লেখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে। প্রধান গবেষক ও স্যার রাম গঙ্গা হাসপাতালের জীব-রসায়ন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডক্টর সীমা ভারগভ বলছিলেন, ইঁদুরের ওপর গবেষণাটি পরিচালিত হলেও, মানুষের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলে এই জিন।
ভারতে বর্তমানে ৪৫ থেকে ৯২ বছর বয়সী ৪৫ শতাংশ পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি শ্রবণ সমস্যায় ভুগছেন। ভিটামিন বি-১২ স্বল্পতা ও ফোলেইট এবং উচ্চ মাত্রায় হোমোসিস্টিন উপাদান থাকার ফলে নারীরাও শ্রবণশক্তির সমস্যায় ভোগেন। এ ধরনের সমস্যা প্রতিরোধে সময় থাকতেই যথাযথ ভিটামিন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।