ইমরান আলী: হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছে হাজিরা। এরই মধ্যে হজযাত্রীদের নিয়ে দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে। তবে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বিলম্বে ওই দুটি ফ্লাইট অবতরণ করে। মূলত জেদ্দা বিমানবন্দরে কঠোরভাবে চেকিং ও ইমিগ্রেশনে দেরি করার কারণেই ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ হাজিদের।
তারা জানান, বিমানবন্দরে আসার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে হাজিদের। এ কারণে বিলম্ব হচ্ছে ফ্লাইট। সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনা ভালো থাকলে ফেরার সময় হাজিদের এ সময়ক্ষেপণের কারণে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাংলাদেশ বিমানের ফিরতি হজ ফ্লাইটের হাজিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
তারা বলছেন, যেভাবে সৌদি প্রশাসন হাজিদের চেকিং করছে, তাতে করে একেক জনের পেছনে ৮/১০ মিনিট সময় ব্যয় হচ্ছে। এক লাইনে কয়েকশ’ হাজি থাকায় তাদের পেছনে এভাবে সময় লাগছে। এছাড়াও ইমিগ্রেশনেও সময় লাগছে। যার কারণে ফিরতি হজ ফ্লাইট দেরি হচ্ছে। এরপর যে ফ্লাইটগুলো আসবে সেগুলোও ৩/৪ ঘণ্টা দেরিতে আসবে।
হাজি নইমুদ্দীন বাংলানিউজকে বলেন, সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু ফেরার সময় সৌদি প্রশাসন যেভাবে আমাদের তল্লাশি করছে তাতে করে ফেরার সময় দুর্ভোগ বাড়ছে। তিনি বলেন, শুক্রবার তাদের ইমিগ্রেশনে পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশেরও হাজিদের এক লাইনে দাঁড় করানো হয়। বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের হাজিদের ব্যাপকভাবে তল্লাশি করা হয়।
হাজি আমিনুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, একটি সুঁচ থাকলেও সেটি সৌদি প্রশাসনের লোকজন সেটি বের করে রেখে দিচ্ছে। একটি লাগেজ খুলে বের করে চেক করে আবার লাগেজটি একত্রিত করতে তো সময় লাগছে। যার কারণে আমাদের এই বিলম্ব। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ফ্লাইট-ই বিলম্ব হবে। আরো কয়েক হাজার হাজি বিমানবন্দরে চেকিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের ফ্লাইটগুলোও বিলম্ব হবে।