মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৯

বৃটেনে হালাল বিতর্ক

বৃটেনে হালাল বিতর্ক

আকবর হোসেন: মুসলিম জীবনে হালাল একটি অত্যন্ত গুরুত্ব বিষয়। হালাল শুধু খাবার দাবারের সাথেই সম্পর্কিত নয় বরং জীবনের সকল ক্ষেত্রে হালাল পথ অনুসরণ ও হারাম থেকে বেঁচে থাকতে ইসলামের নির্দেশ রয়েছে। হালাল এবং তাইয়্যেব (পাক-পবিত্র) খাবার হচ্ছে স্বাস্থ্যকর। গোশতের বেলায় যেমন হালাল হারাম আছে তেমনি অন্যান্য খাদ্রসামগ্রী, প্রশাধনী, ফার্মাসিউটিক্যালস্্, খাদ্য প্রস্তুত প্রণালী ও এর উপাদানেও হালাল হারাম জড়িত।

আসলে হালাল হচ্ছে একটি লাইফ ষ্টাইল। স্বাস্থ্যসম্মত ও কল্যাণমূখী জীবনযাপনে এর ভ‚মিকা অনেক। এটি শুধু মুসলমানদেরই নয় বরং সকল মানুষের জন্যেই উপকারী এবং উপযুক্ত খাবার। ধরে নেয়া হয় মুসলিম দেশের সব খাবারই হালাল। আর অমুসলিম দেশে প্রস্তুতকৃত বা আমদানীকৃত খাদ্যসামগ্রী যদি সুস্পষ্টভাবে হারাম না হয় তাহলে উক্ত খাবার খেতে কোন অসুবিধা নেই।

কারণ আমরা জানি, যদি কোন জিনিষ পরিস্কারভাবে হারাম ক্যাটাগরিতে না পড়ে তাহলে সেটা গ্রহণ করতে কোন ক্ষতি নেই আর সন্দেহের জিনিষ তো বর্জন করতেই বলা হয়েছে। অমুসলিম দেশে হালালের অনুসন্ধান করা লাগে। চোখ বন্ধ করে সবকিছু খাওয়া যায় না। অবশ্য হারামের জন্য কোন প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়না। মুসলিম দেশের খাদ্য সামগ্রী কেউ পরীক্ষা করে দেখারও প্রয়োজনবোধ করেন না এর উপাদানে কোন হারামের সংমিশ্রণ আছে কিনা। কিন্তু অমুসলিম দেশে প্রতিটি খাবার গ্রহণের পূর্বে চোখ বুলিয়ে দেখতে হয় এখানে হারাম কোন জিনিষ আছে কিনা। কোন ইন্ডিপেন্ডেন্ট হালাল সার্টিফাইয়িং অথরিটি যদি কোন প্রোডাক্টকে হালাল সার্টিফাই করে তাহলে আমরা তা’ অনেক ক্ষেত্রেই নিশ্চিন্তে গ্রহণ করে থাকি।

এছাড়া বাকীগুলোর ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত না হয়ে গ্রহণ করি না। তবে পাশ্চাত্যের কসাইখানাসহ খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুত করতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল প্রক্রিয়াতেই যে বিষয়গুলোকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া হয় দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের মুসলিম দেশে সে রকম ষ্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন করা হয় না। পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রেও আমরা মনে করি শুধুমাত্র জবাইয়ের সময় বিসমিল্লাহ্্ আল্লাহুআকবার বললেই হালাল হয়ে যায়।

এর আগে কিংবা পরের প্রক্রিয়া ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না আর এ নিয়ে যেনো আমাদের কোন মাথা ব্যথাও নেই। পশুকে কি খাওয়ানো হচ্ছে, কোথায় রাখা হচ্ছে, কিভাবে বড় হচ্ছে এমনকি জবাইয়ের পরও কিভাবে ডিষ্ট্রিবিউশন এবং ট্রান্সপোর্টেশন করা হচ্ছে, হালাল হারামের সংমিশ্রণ হচ্ছে কিনা এ সবকিছুও বিবেচনায় আনতে হবে। এই বৃটেনে প্রায় ৩ মিলিয়ন মুসলমানের বাস। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ সহ হালাল গোশতের এক বড় ভোক্তা হচ্ছি আমরা। বাইরের দেশ থেকেও এখানে হালাল গোশত আমদানী করা হয়। ভবিষ্যতে এই খাদ্য আমদানী আরো বেড়ে যাবে।

আনুমানিক ১ বিলিয়ন পাউন্ডের হালাল মার্কেট হচ্ছে এখানে। শুধু এদেশেই নয় সারা দুনিয়াতেই এখন হালালের বাজার দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে এবং এই হালাল মার্কেট হচ্ছে আনুমানিক ১.১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের। খাবার-দাবার ও ব্যবহার্য্য প্রশাধনীর বাইরে হালাল ব্যাংকিং, হালাল মর্গেজ, হালাল ইন্সুরেন্স, হালাল লোন ইত্যাদি নানা হালাল প্রোডাক্ট এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। অনেকে মনে করেন ইউরোপ-আমেরিকার মধ্যে বৃটেনের মুসলমানরা এদেশে হালাল জীবনযাপনের ক্ষেত্রে খুবই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। নিজস্ব কৃষ্টি-কালচার, ধর্ম বিশ্বাস পালন করার পরিবেশ রয়েছে বৃটেনে।

তবে মাঝেমধ্যে হালাল, মুসলিম, ইসলাম সম্পর্কিত নানা ইস্যূ নিয়ে মিডিয়াতে যে হৈচৈ হয়, বর্ণবাদী গোষ্ঠি কারণে অকারণে উস্কানী দেয়, মুসলমানরা হামলার শিকার হন তা’ আমাদের ভীষণভাবে ভাবিয়ে তোলে। এতে এক ধরণের ইসলামোফোবিয়া ছড়িয়ে যায়। চরমপন্থী, সন্ত্রাসী ইত্যাদি ইস্যূর পাশাপাশি এখন হালাল নিয়ে বেশ বিতর্ক হচ্ছে। এনিমেল রাইটস্্ গ্রুপ দাবী করছে হালাল উপায়ে পশু জবাই করলে তাদের কষ্ট দেয়া হয়। তারা চাচ্ছে ষ্টান করা ছাড়া যাতে পশু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়। এদেশে প্রায় ৮০% হালাল গোশতই জবাইয়ের পূর্বে ষ্টান করা। এখন দ্যা বৃটিশ ভেটেরিনারী এসোসিয়েশন, আরএসপিসিএ এবং কম্পেশন ইন ওয়ার্ল্ড ইন ফার্মিং বছরখানেক ধরে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ই-পিটিশনে ১ লাখ ১৪ হাজার সিগনেচার সংগ্রহ করেছে ষ্টান ছাড়া জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে।

ফলে এটি পার্লামেন্টে ডিবেটের পর্যায়ে চলে গেছে। উল্লেখ্য, এদেশের আইনে এখনো পর্যন্ত মুসলিম ও ইহুদী কমিউনিটির জন্য ষ্টান ছাড়াই পশু জবাই বৈধ আছে। কিন্তু পার্লামেন্ট যদি তাদের পক্ষে (সকল প্রক্রিয়া শেষ করে) রায় দেয় তাহলে ষ্টান ছাড়া জবাই করা অবৈধ হয়ে যাবে। এজন্য মুসলিম কমিউনিটি এবং জুইশ কমিউনিটি ঐক্যবদ্ধ ক্যাম্পেইন করে মাত্র ক‘দিনে অনেক সিগনেচার সংগ্রহ করেছে। এর সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ২২ হাজার। এই সিগনেচার সংগ্রহে ইষ্ট লন্ডন মসজিদসহ অনেক মসজিদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জুমুআর খুতবায় হালাল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, সচেতনতা সৃষ্টিতে মিডিয়াও সোচ্চার ভ‚মিকা রেখেছে। এতে মুসলিম কমিউনিটি অভ‚তপূর্ব সাড়া দিয়ে হালালের বিপক্ষের (ষ্টান ছাড়া) ক্যাম্পেইনকে ¤øান করে দিয়েছে।

মুসলিম কমিউনিটিতে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে দ্বিমত থাকলেও অন্ততঃ এই একটি ইস্যুতে কমিউনিটিতে বিরাট ঐক্য পরিলক্ষিত হয়েছে। এমনকি এই সুযোগে জুইশ কমিউনিটির সাথেও সম্পর্ক আরো জোরদার হয়েছে। তারা ষ্টান ছাড়া জবেহ করে থাকে। ষ্টান নিয়ে বৃটেনে কর্মরত হালাল সার্টিফাইয়িং সংগঠনগুলোর ভিন্ন ভিন্ন পলিসি থাকলেও ষ্টান ছাড়া জবাই নিষিদ্ধ হয়ে যাক এটা কেউই চাননা। জবাইয়ের পূর্বে যারা ষ্টান করতে অনুমতি দেন তারা ষ্টান করে পশু মারাকে নয় বরং ষ্টানকে (হালকা বৈদ্যুতিক স্পর্শের মাধ্যমে জানোয়ারকে জবাইয়ের পূর্বে নিস্তেজ করা) ষ্টানের জন্যেই ব্যবহারের অনুমতি দেন। ষ্টানের যে সকল পদ্ধতি রিভারসিবুল নয় এবং এর ফলে পশু মরে যায় তা’ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ ইসলামে মৃত পশু জবাই নিষিদ্ধ, খাওয়ার তো প্রশ্নই উঠেনা। জবাইয়ের সময় অবশ্যই পশুকে জীবিত ও সুস্থ থাকতে হবে। এটা খুবই জরুরী। হালাল উপায়ে পশু জবাই এবং খাদ্য-সামগ্রীর হালাল হারামের সাথে সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে আমাদের মধ্যে বিস্তর আলোচনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, গবেষণা এবং এর আলোকে এদেশের মুসলিম কমিউনিটিকে দিকনির্দেশনা দেবার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। গোশত ছাড়াও আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক খাদ্যসামগ্রীতে হালাল হারামের ইস্যূ আছে।

যেগুলোতে অবহেলা করা যাবে না। খাবারের মধ্যে ই-নাম্বার্স সহ সকল ফুড ইনগ্রিডিয়েন্টস্্ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে আরো প্রসারিত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে যেভাবে পশু জবাই হয় এর সাথে এদেশের ¯øটারহাউজগুলোর বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। হজ্বের সময়ে খোদ সৌদি আরবে পশু জবাই দেখে এক ধরণের নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। ছোটবেলায় দেখেছি মুরগী জবাই করতেও কমপক্ষে দু’জন মানুষ লাগতো একজন ধরতো এবং আরেকজন জবাই করতো। কিন্তু এদেশে ষ্টান/ নন্্ ষ্টান উভয় ক্ষেত্রেই মুরগীকে চেইনের মধ্যে লটকাতে হয়, তারপর জবাই করা হয়। এতে দ্রতগতিতে জবাই করা যায়। বাংলাদেশে বেশ ক‘জন মিলে গরুকে রশি দিয়ে ভালো করে বেঁধে মাটিতে ফেলে জবাই করা হয়। জানিনা ¯øটারহাউজগুলোতে কিভাবে জবাই হয়! সে সময় এনিমেল ওয়েলফেয়ার যে এতো গুরুত্বপূর্ণ তা’ জানতাম না।

এছাড়া কোরবানীর সময় সারা দেশ যেনো পশুর বর্জ্য আর দুর্গন্ধে ভরে যায়। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও ইাইজিনের বিষয়ও এখানে আছে। আমরা কি এর যথেষ্ট খেয়াল করি? ইন্টারনেটে মুসলিম দেশগুলোতে পশু জবাইয়ের সময় যে দূর্ব্যবহার ও নিষ্ঠুরতার ভিডিওগুলো আমরা দেখি তাতে গোশত খাওয়ার ইচ্ছাটুকুই যেনো হারিয়ে যায়। শুধুমাত্র জবাইয়ের সময় আল্লাহর নাম নেয়াই হালালের জন্যে যথেষ্ট নয় আরো অনেক ইস্যূ এর সাথে রয়েছে যেগুলোকে অবহেলা করা যাবেনা। প্রথমেই আমার মনে হয়, বৃটেনে পশু জবাইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটা (ষ্টান এবং ষ্টান ছাড়া) আমাদের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের ¯øটারহাউজে গিয়ে ভালো করে দেখা দরকার।

বৃটেনের প্রায় ৩ মিলিয়ন মুসলমানের জন্য হালাল গোশতের চাহিদা, এর উৎপাদন ও আমাদের ভোগ-ব্যবহার ইত্যাদি ব্যাপারে আমাদের করণীয় সম্পর্কে তারা বাস্তবিক অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদের গাইড করতে পারবেন। এমনিতেই আমাদের তরুণ প্রজন্মের ফাষ্ট ফুডের প্রতি আগ্রহ বেশি। তাদের চাহিদা পূরণ এবং নিত্যদিনের চাহিদা পূরণে গোশতের মাস্ প্রোডাকশন হচ্ছে। ঘরে ঘরে তো আর জবাই করার সুযোগ নেই এখানে। এই মাস্ প্রোডাকশনের বেলায় কিভাবে ইসলামিক নীতিমালাকে সঠিকভাবে ধরে রাখা যায় সে বিষয়েও গাইড লাইনের প্রয়োজন আছে। ইনটেনসিভ ফার্মিং এবং জেনেটিকেলি মডিফাইড ফুড (জিএম ফুড) ইত্যাদি ইস্যূও হালালের সাথে জড়িত। এ বিষয়ে মুসলিম বিশেষজ্ঞরা কমিউনিটিকে জ্ঞান দান করবেন। আর যারা জবাই করেন সে সকল জবাইকারীদের জন্যেও ইসলামিক ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে যেভাবে জুইশ জবাইকারীদের (তাদের তরীকা) শিক্ষা দেয়া হয়।

এছাড়া আহলি কিতাবধারীদের জবেহ করা গোশতের ব্যাপারেও আমাদের সঠিক ধারণার প্রয়োজন। মুসলমানরা শুধুমাত্র ভোক্তা হিসেবেই না থেকে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় জবাইখানা নির্মাণে এবং খাদ্য প্রস্তুতকারী হিসেবে এগিয়ে আসা উচিত। দেখা যায় আমরা মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার নির্মাণে অনেক আগ্রহী কিন্তু যে হালাল খাবার না হলে ইবাদাত কবুল হবে না সেই খাবার প্রস্তুতে তেমন কোন ভ‚মিকা রাখছিনা বিশেষ করে হালাল জবাইখানার ক্ষেত্রে। অবশ্য আশার কথা যে, এখানে হালাল রেষ্টুরেন্ট হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-দাবার ও জীবনযাপনের বিষয়েও ওয়াজ নসীহতের প্রয়োজন রয়েছে। সুস্বাস্থ্যের জন্যে ব্যালেন্সড ডায়েট এবং গোশত কম খাওয়া (বিশেষ করে রেড মিট) ও ব্যায়াম করার কথা ডাক্তাররা বলে থাকেন এটা ঠিক কিন্তু পাশাপাশি ইসলামিক তরীকা অনুসরণ করলে ভালো থাকা যায়, অসুখ-বিসুখ থেকেও মুক্ত থাকা যায়। নিয়মিত ফলমুল খাওয়া, পানি বেশি করে খাওয়া, ফিজি ড্রিংক বিশেষ করে কোকাকোলাসহ এনার্জি ড্রিংক বর্জন করা, জাংক ফুড, প্রসেস ফুডস্্ খাওয়া কমানো, ধুমপান বর্জন, শাক-সব্জি খাওয়া, সকালের নাস্তা ভালো হওয়া, রাতে কম খাওয়া; দেরী করে না খাওয়া এবং খাওয়ার পরপরই না ঘুমানো, আল্লাহর জিকির, তাঁর নেয়ামত নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা, মেডিটেশন, টেনশন না করে দুঃশ্চিন্তামুক্ত থাকা, শোকর গোজার বান্দা হওয়া, সবর করা ইত্যাদি আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো মেনে চললে শরীর মন উভয়ই ভালো থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন বলেছেন, তিনি যতোদিন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন ততোদিন হালালও নিরাপদ থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি হালালের বিরুদ্ধে যতোই ক্যাম্পেইন করা হোক না কেনো এদেশে হালাল জবাই নিষিদ্ধ হবে না। হালাল নিয়ে যতোই বিতর্ক হোক এটি আমাদের চেতনার সাথে মিশে আছে। এমন এক দিন আসবে যখন শুধু মুসলমানই নয় সকল বিবেকবান মানুষ হালালের পক্ষে অবস্থান নেবে। তবে সকল পরিস্থিতিতেই দিশেহারা না হয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে বুদ্ধিমত্তার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026