শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ধনী হওয়ার ৭ উপায় নীচে তুলে ধরা হলো শীর্ষবিন্দু পাঠকদের উদ্দেশ্যে।
১. বাজেট তৈরি করুন: পুরো মাসের, যদি সম্ভব হয় পুরো বছরের আয়-ব্যয়ের আনুমানিক হিসাবটা মাস কিংবা বছরের শুরুতেই করে ফেলুন। আপনার যা যা কিনতে ইচ্ছা করে তার লিস্ট নয় বরং লিখে ফেলুন যা যা আপনার একান্তই কেনা দরকার। প্রথম মাসের বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দ্বিতীয় মাসের বাজেটটা করুন। এতে আগের মাসের ভুলভ্রান্তি শুধরে নেওয়া যাবে।
২. সঞ্চয় করুন: আপনার আয় যা-ই হোক না কেন এমনভাবে ব্যয় করুন যাতে মাস শেষে কিছু না কিছু সঞ্চয় থাকে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন মাসিক কামাইয়ের ১০-১৫ শতাংশ টাকা সঞ্চয়ের জন্য। এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় মিলেই এক সময় বড় একটা অঙ্ক হয়ে দাঁড়াবে। এটাই হবে আপনার ধনী হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
৩. ইনভেস্ট করুন বুঝে শুনে: অন্যের কথা শুনেই হুট করে কোনো কিছুতে টাকা ইনভেস্ট করে ফেলবেন না। কমপক্ষে তিনজন ব্যক্তি বা তিনটি স্থান থেকে যাচাই করুন, আজ থেকে ১০ বছর পরে ব্যাপারটা কী দাঁড়াবে_ এসব কিছু বিচার-বিবেচনা করে তবেই ইনভেস্ট করুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে হেলথ, লাইফ বা মূল্যবান জিনিসপত্রের ইন্স্যুরেন্স করুন। বিভিন্ন লাভজনক স্কিমের খবর রাখুন।
৪. পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসুন: আপনাকে যদি পরিবারের ব্যয় বহন করতে হয় তবে অন্তত মাসে একবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসুন। সংসারের আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্পর্কে সবাইকে কিছুটা ধারণা দিন। পরিবারের ছোটদের সঠিক নির্দেশনা দিন কোথায় কীভাবে ব্যয় করা উচিত। সবার পরামর্শ এবং সহযোগিতাই পারে আপনাকে ধনী হওয়ার পথে এগিয়ে নিতে।
৫. ছাঁটাই-বাছাই করুন: নিজের এবং সংসারের অপ্রয়োজনীয় খরচগুলো চিহ্নিত করুন। তারপর সেগুলো বাদ দিয়ে দিন। যেসব প্রয়োজনীয় খাতে বেশি খরচ হচ্ছে সেসব ক্ষেত্রে খরচ কীভাবে কমানো যায় পরিকল্পনা করুন। যেমন_ অসচেতনার কারণে অনেক সময় বিদ্যুৎ বিল অনেক বেড়ে যায়, একটু সচেতন হলেই এ খাতে খরচ কমিয়ে আনা যায় অনেকাংশে। সঞ্চয় করা যায় অনেকখানি।
৬. দূরদর্শী হোন: দশ, পনেরো বা বিশ বছর পর পরিবারের সদস্যদের পড়াশোনা, বিয়ে এবং অসুস্থতার কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করুন। প্রত্যেকটা খাতের জন্য কিছু না কিছু সঞ্চয় করার চেষ্টা করুন। এতে হঠাৎ প্রয়োজনে আপনাকে অস্থির হতে হবে না, কিংবা জমানো অর্থ খরচ করে পথে বসতে হবে না।
৭. পরিশ্রমী হোন: শুধু ইচ্ছা এবং সুযোগ থাকলেই হয় না। ধনী হওয়ার জন্য চাই কঠোর পরিশ্রম। জীবনের লক্ষ্য স্থির করে তবেই সে লক্ষ্যে পেঁৗছার জন্য পরিশ্রম করতে হবে। ধনী হওয়াটা যদি আপনার লক্ষ্য হয়, তাহলে পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করুন। এবং সে অর্থ যেন সঠিকভাবে সঞ্চিত হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।