অন্যকিছু ডেস্ক: বিচারকের রায় শুনে রীতিমতো উভয় সংকটে পড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ২০ বছর বয়সী জোস্টেন বান্ডি। বিচারকের সাফ কথা, গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করতে হবে জোস্টেনের, অথবা জেলে যেতে হবে! অগত্যা তৎক্ষণাৎ আদালত কক্ষেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
আদালতে প্রাপ্ত নথি মোতাবেক, গত মার্চে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জোস্টেন বান্ডি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এক ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছেন। মূলত, তার তৎকালীন গার্লফ্রেন্ডের (বর্তমান স্ত্রী) সাবেক বয়ফ্রেন্ডকে পিটিয়েছিলেন বান্ডি। আদালত পর্যন্ত বিষয়টি গড়ালে ২টি পথ বেছে নেয়ার সুযোগ দেয়া হয় তাকে। হয় তাকে ৩০ দিনের মধ্যে বিয়ে করতে হবে নিজের ১৯ বছর বয়সী গার্লফ্রেন্ড এলিজাবেথ জেয়নেসকে। লিখতে হবে বাইবেলের আয়াত, অংশ নিতে হবে কাউন্সেলিং-এ।
যদি এ সিদ্ধান্ত তিনি না মানেন, তবে তাকে ১৫ দিনের কারাবাস ভোগ করতে হবে! এ কথা শুনে কনে অর্থাৎ এলিজাবেথের বাবা তো বিচারকের ওপর অগ্নিশর্মা। স্থানীয় একটি টেলিভিশনকে তিনি বলেন, একজন বিচারক কাউকে বিয়ের আদেশ দিতে পারেন না! তবে এর আগেও বিয়ের কথা আলোচনা করেছিলেন বান্ডি ও এলিজাবেথ। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তখন নেয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে পেরে, তারা খুশি!
কিন্তু তাদেরকে জোর করে বিয়ে করানোর বিষয়টি মানছেন না তারা। এ জুটি ও বিচারকের সরাসরি প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অবশ্য স্থানীয় একটি টিভিকে নববধূ এলিজাবেথ বলেন, আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবে বিয়েটা করতে পারিনি। আমি এমনকি সাদা পোশাকও পরিনি।