নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা টোরি সরকারের ইমিগ্রেশন বিল ২০১৫-১৬ প্রকাশ হয়েছে গত সাপ্তাহে। বিলটি পার্লামেন্টে উঠবে অক্টোবরের দ্বিতীয় সাপ্তাহে। এ বছরের মধ্যেই বিল পাশ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ধারনা করা হচ্ছে অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের জন্য এ যাবত কালের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন আইন পাশ করতে যাচ্ছে সরকার।
এতে ইমিগ্রেশন সিস্টেমে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। যাতে করে অবৈধ অভিভাসীরা কঠিন সমস্যায় পড়তে হবে। এবং বাধ্য হয়েছে অনেককেই ব্রিটেন ত্যাগ করতে হতে পারে। জানাগেছে গত বছর ব্রিটেন সরকার ৩৬ হাজার মানুষকে ব্রিটেন থেকে নিজ নিজ দেশে প্রেরন করেছে। একই সাথে গত ৬ই এপ্রিল থেকে চালু হওয়া হেলথ ফি থেকে এখনো পর্যন্ত প্রায় ১শ মিলিয়ন পাউন্ড সরকার আয় করেছে।
[youtube id=”WXKpHov9TEw” width=”600″ height=”350″]
তবে সুখবর একটি হচ্ছে যারা গৃহের কাজের জন্য এদেশে পাচার হয়ে এসেছেন এবং তা প্রমানিত হলে এবং তিনি যদি অন্য কোথাও কাজের জন্য আবেদন করেন তবে প্রাথমিকভাবে তাকে ৬মাসের বৈধতা দেয়া হবে। ধারনা করা হচ্ছে ব্রিটেনে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ গৃহের কাজের জন্য পাচার হয়ে এসেছেন। তাদের কথা বিবেচনা করেই এই আইন করা হচ্ছে।
নতুন আইনে বলা হয়েছে কোন ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে বসবাস করেন থাকেন এবং তাকে ড্রাইভিংয়ে পাওয়া যায় তাহলে তাকে ৫ বছরের জেল এবং তার গাড়ীটি বাজেয়াপ্ত করা হবে। তাছাড়া তাকে আনলিমিটেড জরিমানা করা হবে। নতুন আইনে ইমিগ্রেশন অফিসারদের ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এখন থেকে অফিসাররা যেকাউকে সন্দেহ করলে তাকে চ্যালেঞ্চ করতে পারবেন এবং তার ব্যাংক একাউন্ট সহ সম্পত্তি ক্ষতিয়ে দেখতে পারবেন।
নতুন আইনে থাকছে অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের প্রয়োজনে ক্রিমিনালদের মত ইলেক্ট্রনিক ট্রাগ লাগিয়ে দেয়া হতে পারে। বেশ কিছু পরিবর্তনের মধ্যে আরেকটি হচ্ছে নতুন আইনে যারা ভালো ইংরেজী বলতে পারবেনা তারা পাবলিক সেক্টরে কাজ পাবে না। ইমিগ্রেশন বিষয়ে ৯টি ভাগে ভাগ করে বিলটি উত্তাপন করা হয়েছে। যা এই বছরের মধ্যে পাশ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আমাদের সাথে কথা বলেছেন বিশিষ্ট ইমিগ্রেশন এডভাইজার কিংডম সলিসিটার্স এর প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী।