শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ায় হামলা চালানো নিয়ে পার্লামেন্টের ভোটে লেবার নেতা করবিনের মতানুযায়ী ক্যামেরনের বিপক্ষে ভোট দিতে বাধ্য হলে পদত্যাগের পথ বেছে নিতে পারেন দলটির প্রভাবশালী সদস্যদের কেউ কেউ। তাই এবার সিরিয়ায় হামলা চালাতে পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধীতা করে নিজ দলেও কোনটাসা হয়ে পড়লেন লেবার পার্টি লিডার জেরেমি করবিন।
এ নিয়ে সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানো নিয়ে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধীদল লেবার পার্টি। দলটির ঊর্ধ্বতন কয়েকজন এমপি পদত্যাগও করতে পারেন বলে জানিয়েছেন ছায়া মন্ত্রিসভার এক সদস্য।
কট্টর বামপন্থী রাজনৈতিক নেতা জেরেমি করবিন লেবার নেতা হওয়ার দু’মাসের পেরোতে না পেরোতেই দলে বৈদেশিক এবং নিরাপত্তা নীতি নিয়ে ঘোরতর বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সিরিয়ায় আইএস বিরোধী হামলায় যোগ দেওয়ার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরনের এমপি’দের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা বিভক্তি আরও বাড়িয়েছে।
লেবার পার্টির পার্লামেন্ট সদস্যদের কাছে লেখা এক চিঠিতে করবিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সিরিয়ায় বিমান হামলা চালানোর সরকারি পরিকল্পনা তিনি সমর্থন করবেন না। পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে করবিন প্রশ্ন তোলেন, এ পরিকল্পনা আদৌ ব্রিটেনের নিরাপত্তা বাড়াবে কি-না। করবিনের মতো নিরাপত্তা প্রশ্নে তার সঙ্গে একমত লেবার দলের কোনো কোনো সদস্য। তারা মনে করেন সিরিয়া ইস্যুতে নিজস্ব মতামত প্রকাশের অধিকার করবিনের আছে এবং সেটিকে শ্রদ্ধা করা উচিত।
ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তা বাড়াতে আইএসের ওপর হামলা চালানো উচিত বলে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন মনে করলেও তার সঙ্গে একমত নন লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন। অথচ লেবার পার্টির প্রভাবশালী একটি অংশ ক্যামেরনের প্রস্তাবনার পক্ষে রয়েছে। আর তাই সিরিয়ায় হামলা চালানো নিয়ে পার্লামেন্টের ভোটে লেবার নেতা করবিনের মতানুযায়ী ক্যামেরনের বিপক্ষে ভোট দিতে বাধ্য হলে পদত্যাগের পথ বেছে নিতে পারেন দলটির প্রভাবশালী অনেক সদস্য।