সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ: ডেভিড ক্যামেরনের ইন-ওয়ার্ক বেনিফিট চার বছর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সেন্টার নেগোসিয়েশন পয়েন্টের বিপরীতে ব্রাসেলসের সভায় জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সমঝোতার প্রস্তাব নিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের কাছে।
মার্কেল ও হল্যান্ড চাচ্ছেন ব্রিটেন যাতে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে না যায়। ব্রিটেনকে রাখার জন্য এবং একই সাথে ডেভিড ক্যামেরনের প্রস্তাবিত সংস্কারের কেন্দ্রীয় এজেন্ডাকে কিছুটা বাচাতে মার্কেল ও হল্যান্ড মাঝামাঝি প্রস্তাব করলেন। তাদের প্রস্তাব হলো চার বছর নয় তিন বছর পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকেরা ব্রিটেনে বেনিফিট ক্লেইম করতে পারবেননা। মার্কেল ও হল্যান্ডের বিশ্বাস ডেভিড ক্যামেরন এতে সম্মত হবেন।
এর আগে ক্রিসমাসের আগের সপ্তাহের বৃহস্পতিবারের বৈঠকে ক্যামেরন বলেছিলেন, তিনি চান চার বছরের জন্য বেনিফিট বন্ধ নিশ্চিত করতে। ইউনিয়ন নেতারা এতে তীব্র আপত্তি তুলেন। একই সময় ক্যামেরন বলেছিলেন তিনি অন্যান্য অপশন নিয়েও আলোচনা করতে প্রস্তুত। তারই আলোকে মার্কেল ও হল্যান্ড ক্যামেরন ও ব্রিটেনকে সম্মত করতে এই প্রস্তাব দিলেন।
আপাতঃদৃষ্ঠিতে মনে হচ্ছে ডেভিড ক্যামেরন তার মূল দর কষাকষির পয়েন্ট থেকে সরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। ডাউনিং ষ্ট্রীট ক্লোজ সূত্র উল্লেখ করেছেন, এতে বরং ক্যামেরনের নেগোসিয়েশনের জয় হয়েছে। রেফারেন্ডামের সময় ক্যামেরন বলতে পারবেন, তার বাধানুবাদের ফলেই ইউরোপিয় ইউনিয়ন সংস্কার ক
রতে বাধ্য হয়েছে এবং ব্রিটেনে আগমনের পর তারা ৩ বছর পর্যন্ত বেনিফিট ক্লেইম করবেনা।
ইউরোপিয় ইউনিয়নে ব্রিটেনের থাকা না থাকা নিয়ে আগামী বছর গণভোট হবে। রেফারেন্ডামকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনের জনগণ দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এক গ্রুপ বের হয়ার ক্যাম্পেইন করলেও অন্য গ্রুপ থাকার ক্যাম্পেইন করছেন। দুই শিবিরেই নানা রতি মহারতি রয়েছেন।
মার্কেল ও হল্যান্ডের মধ্যস্থকারীর প্রস্তাব ক্যামেরনকে ইউবিয়নে থাকার নেগোসিয়েশনের টেবিলে সফলতার সাথে ভোটের সময় ব্রিটেনের ইউনিয়নের মধ্যে থাকার ক্যাম্পেইনে প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে সহায়তা করবে।
ডাউনিং ষ্ট্রীট মনে করছে, তিন বছরের জন্য বন্ধ মানেই হলো চার বছরের মতো বন্ধ্যের ন্যায় পলিসি সমানভাবে কাজ করবে।