মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১

বিশ্বের সেরা ১০টি বিষয় যা মুসলমানদের আবিষ্কার

বিশ্বের সেরা ১০টি বিষয় যা মুসলমানদের আবিষ্কার

ইসলাম থেকে ডেস্ক: সারা বিশ্বের ইহুদি খ্রীষ্টান মিডিয়া যখন মুসলমানদের সন্ত্রাসী হিসেবে প্রমানে ব্যস্ত তখন একদল খ্রীষ্টান গবেষনা করে বের করলেন বর্তমান পৃথিবীতে উল্লেখযোগ্য ১০ টি আবিষ্কার সম্পর্কে। যা থেকে মুসলমানরা গর্ব করতে পারে। যদিও মুসলিম ইহিতাস শিল্প, স্থাপত্য এবং সাহিত্য জগতে বেশ ভালো অবস্থানে নিজেকে প্রমান করেছে।

তথাপি এই সব গুরুত্বপূর্ন আবিষ্কার যুগ যুগ ধরে মানুষের কল্যাণেই ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা অনেকেই মুসলমান হওয়া সত্বেও এইসব আবিষ্কার গুলোর কথা জানি না। যদি আমরা এই তথ্যগুলো সবার কাছে শেয়ার করে জানিয়ে দিতাম তাহলে আমাদের মান ও মর্যাদা আরো অধিক পরিমানে বৃদ্ধি পেতো। আমরা আজকে আলোচনা করবো, মুসলমানদের কর্তৃক আবিষ্কার করা সেরা ১০টি বিষয় যা অনেকেই আগে জানতেন নাঃ

মুসলমানদের আবিষ্কার

(১০) সার্জারী: মুসলিম বিজ্ঞানী আল জহরী প্রায় হাজার বছর পূর্বে একটি বই লেখেন। যেকানে তিনি কাটা ছেড়া করার জন্য সাঁড়াশী আবিষ্কার করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে বিড়ালের শরীর ব্যবচ্ছেদ করে এর নাড়িভুঁড়ি নিয়ে গবেষনা করেছিলেন। তার রচিত সেই বই পরবর্তী ৫০০ বছর সারা ইউরোপ জুড়ে ব্যবহার করা হয়।

(০৯) কফি: নবম শতাব্দীতে ইয়েমেনে এই কফির উদ্ধাবন করা হয়। এই কফি প্রথম দিকে সূফী সাধকেরা ব্যবহার করতেন। যাতে তাদের শরীরে ক্লান্তি না আসে। পরবর্তীতে এই কফি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। অবশেষে ১৬শ শতকের দিকে এই ইউরোপে গিয়ে ব্যাপক সুনাম অর্জন করে।

(০৮) উড়ন্ত মেশিন: বিমানের স্বপ্ন দ্রষ্টা লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চিরও বহু আগে ওড়ার নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন আব্বাস ইবনে ফার্নাস নামে একজন বিজ্ঞানী। তিনি তৎকালীন সময়ে (৯ম শতাব্দীতে) একটি ছোট ওড়ার যন্ত্র আবিষ্কার করে খুব অল্প সময়ের জন্য নিজেকে সেই মেশিনে উড়ান। অবশ্য পরবর্তীতে সেই মেশিন থেকে পরেই তিনি মারা যান।

(০৭) বিশ্ববিদ্যালয়: পৃথিবীর সর্ব প্রথম সার্টিফেকট প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ফেজ, মরক্কোতে ৮৫৯ সালে। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন একজন শাহজাদী। যার নাম ছিলো ফাতিমা আল ফিহরী। প্রায় ১২ শত বছর পরেও সেই বিশ্ববিদ্যালয় এখনো মরক্কোতে স্বমহিমায় কার্যক্রম চালাচ্ছে।

(০৬) বীজগণিত: আপনি তাকে ধন্যবাদ দিন বা দোষারোপ করতে চান বা না চান, সমস্ত কৃতিত্ব হচ্ছে আল খোয়ারিজমির। যিনি একজন ফার্সি গনিতবিদ ছিলেন। তিনি ৮০০ শতকের দিকে বীজগণিতের বিভিন্ন সূত্র আবিষ্কার করে একে প্রতিষ্ঠা করেন।

(০৫) আলোকবিদ্যা: পূর্বে বিশ্বাস করা হতো মানুষের দেখার জন্য নিজ চোখ টর্চের মতো আলো মারে, তারপর মানুষ সেটা দেখে। ১০০০ সালে মুসলিম বিজ্ঞানী ইবনে আল হায়থাম প্রমান করে, আলোর প্রতিফলনের ফলে সৃষ্ট বিম্ব মানুষ দেখে। মানুষের চোখের নিজস্ব কোন আলো নেই। মানুষ প্রতিফলিত আলোর সহায়তায় দেখতে পায়।

(০৪) সঙ্গীত: আসলে পুরো সঙ্গীত নয়। কিন্তু সঙ্গীতের উন্নয়নে পাচ্যের অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড রয়েছে। লুত এবং রাহব নামে দুই মুসলিম সর্ব প্রথম বেহালা আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে এটা ইউরোপে চলে ছড়িয়ে পরে। এছাড়াও আমরা সঙ্গীতের ক্ষেত্রে যে প্রিন্টেড স্কেল দেখি সেগুলোও একসময়কার আরবি বর্ণমালা থেকে এসেছে বলে ধারনা করা হয়। এছাড়াও কবি ওমর খৈয়াম সর্ব প্রথম তবলা আবিষ্কার করেন।

(০৩) টুথব্রাশ: ৬০০ শত সালে হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কর্তৃক সর্বপ্রথম দাত পরিস্কারের জন্য মেসওয়াক বা টুথব্রাশের ব্যবহার শুরু হয়। তিনি জানতেন একধরনের বিশেষ গাছের ডাল থেকে তৈরি মেসওয়াক দাঁত ও নিঃশ্বাসের জন্য খুব ভালো।

(০২) ইঞ্জিন: ১২০০ শতকের দিকে সর্ব প্রথম মধ্যপাচ্যে ঘূর্নয়মান শক্তিকে একটি গতি শক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে ইঞ্জিনের আবিষ্কার করা হয়। তারপর থেকে বিভিন্ন ধরনের ভারী বস্তু, ভার উত্তোলন, গাড়ির চলন এবং বাইসাইকলের তৈরির জন্য সারাবিশ্বে ব্যবহৃত হয়েছে।

(০১) হাসপাতাল: ৯ম শতব্দির দিকে মুসলিমদের মাধ্যমে সুসংগঠিত সর্বপ্রথম হাসপাতালের সূচনা হয়। তখন ছাত্রদের শেখানোর জন্য রোগীদের ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হতো এবং তারা সেভাবেই হাতে কলমে শিখতো।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026