সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৪১

ঘরের লাল ডোরে এসাইলাম রিফুজিদের উদ্দেশ্যে ডিম ও পাথর ছুড়ে মারে বর্ণবাদীরা

ঘরের লাল ডোরে এসাইলাম রিফুজিদের উদ্দেশ্যে ডিম ও পাথর ছুড়ে মারে বর্ণবাদীরা

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডের মিডলসবারার বিভিন্ন এলাকায় যেসব ঘরে এসাইলাম থাকেন, সেসব ঘরের দরোজার রং লাল রাখা হয়েছে। এসব ঘরের মালিক একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। আর এ প্রতিষ্ঠানের জন্য সাবকন্ট্রাক্টর হিসাবে কাজ করছে বৃটেনে বহুল আলোচিত সিকিউরিটি কোম্পানী জি ফোর এস।

লাল দরোজাওয়ালা ঘরে এসাইলামরা থাকে। তাই লাল দরোজার ঘর উদ্দেশ্যে করে ডিম এবং পাথর নিক্ষেপ করে বর্ণবাদীরা। এসাইলামরা অভিযোগ করে বলেছেন, ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী কট্টর ডানপন্থিরা লাল দরোজার ঘর দেখে ডিম, পাথর নিক্ষেপ করে। তাদের দরোজা জানালা ভেঙ্গে দেয়া হয়। এমনকি পতিতারা গিয়ে তাদের দরোজায় অকারণে ডাকাডাকি করে হয়রানী করে বলে অভিযোগ করেছেন লাল দরোজার ঘরে থাকা এসাইলামরা।

যদিও ঘরের মালিকানা প্রতিষ্ঠান জোমাস্ট এবং সাবকন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠান জিফোরএস এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মিডলসবারায় ওই বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১শ ৬৮টি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১শ ৫৫টিতে লাল দরোজা। লাল দরোজাওয়ালা ৬২টি বাড়িতে ২২টি দেশের এসাইলাম আবেদনকারীরা বসবাস করেন। যেসব ঘর এসাইলামদের জন্য বরাদ্দ করা হয়, সেসব ঘরের দরোজার রং ইচ্ছে করেই লাল রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। লাল দরোজার ঘরে থাকা

এদিকে এমন ঘটনার কথা শুনে হতবাক হয়েছেন ইমিগ্রেশন মিনিষ্টার জেমস ব্রোকেন শায়ার এমপি। তিনি হোম অফিসের সঙ্গে পরামর্শ করে উত্তর পূর্ব ইংল্যান্ডে এসাইলামদের ঘরবাড়ি প্রদানের বিষয়টি জরুরী ভিত্তিতে অডিট করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারের এ ঘোষণার পরপরই লাল দরোজার রং পরিবর্তন করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকের সময় সিকিউরিটি কোম্পানীর ব্যর্থতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। সর্বশেষ ইংল্যান্ডের একটি কারাগারে জিফোর এসের ভুমিকা নিয়ে প্যানারোমা করেছে বিবিসি। উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডে এসালাইমদের জন্য ঘরবাড়ি যোগাড় করে দেয়ার জন্য হোম অফিসের সঙ্গে বিতর্কিত জিফোরএসের চুক্তি রয়েছে বলেও জানা গেছে।

 




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026