শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৪

ব্রিটেনে স্টুডেন্ট ভিসার নিয়ম-কানুন: টিয়ার-১ (গ্রাজুয়েট ইন্টারপিনিয়র) ভিসায় সুইচ করার সুযোগ

ব্রিটেনে স্টুডেন্ট ভিসার নিয়ম-কানুন: টিয়ার-১ (গ্রাজুয়েট ইন্টারপিনিয়র) ভিসায় সুইচ করার সুযোগ

নিউজ ডেস্ক: বলা হয় ব্রিটেনে স্টুডেন্ট ভিসায় থাকার সকল রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। খুব কম সংখ্যক স্টুডেন্ট ইমিগ্রেশন রুল মেইনটেইন করে ইউকের ভেতর থেকে তাদের ভিসা নবায়ন করতে পারছেন। ঠিক ইউকের বাহির থেকেও খুব কম সংখ্যক আবেদনকারী ভিসা আবেদন করে সাকসেস হচ্ছেন। ব্যাপক ইমিগ্রেশন কড়াকড়ি মাঝেও স্টুডেন্টদের জন্য কিছু সুযোগ রয়েছে যা শুধুমাত্র জানার অভাবে কেউ আবেদন করতে পারছেন না ।

আবার অনেকেই যথাযত পদ্ধতিতে ইমিগ্রেশন ক্রাইটেরিয়া মেইনটেইন করে আবেদন না করায় সরাসরি রিফুইজ হচ্ছেন ।টিয়ার-৪ স্টুডেন্টরা ভিসা এক্ট্রেনশনের কোন উপায় না পেয়ে ব্রিটেন ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই । এদের কেউ কেউ যাচ্ছেন ইউরোপে আবার কেউ কেউ চলে যাচ্ছেন স্বদেশে ।আমাদের বাংলা সংলাপ পাঠকদের সৌজন্য টিয়ার -৪ স্টুডেন্টদের সুউচ করার সম্ভাবনাময় একটি ক্যাটাগরি তুলে ধরছি।

টিয়ার-৪ স্টুডেন্টরা খুব সহজেই টিয়ার-১ (গ্রাডুয়েট ইন্টারপিনিয়র) ভিসায় সুইচ করতে পারেন । এক্ষেত্রে সকল ক্রাইটেরিয়া মেইন্টেইন করতে পারলে প্রাথমিক ভাবে ১ বছরের ভিসা পাবেন।

পরবর্তিতে ১ বার সেইম ক্যটাগরিতে নবায়ন করার সুযোগ পাচ্ছেন । ইউকের বাহির থেকেও টিয়ার-১ ইন্টারপিনিয়র ভিসায় আবেদন করতে পারেন । আবেদনের জন্য যে সকল ক্রাইটেরিয়া মেইন্টেইন করতে হবে তা হচ্ছে:

১। কমপক্ষে ইউকে ব্যচেলর ডিগ্রী থাকতে হবে।

২। ইউকে হায়ার এডুকেশন অথরাইজ ইন্সটিটিউট থেকে এন্ডোসমেন্ট।

৩। ইউকের ভেতর থেকে হলে ৯৪৫ পাউন্ড নিজ একাউন্টে ৩ মাসের সেভি, ইউকের বাহির থেকে হলে ১৮৯০ পাউন্ড সমপরিমান টাকা ৩ মাসের সেভিং থাকতে হবে। ৩/ বি-১ লেভেলের ইংলিশ ল্যংগুয়েজ টেস্ট।

সর্বোপরি এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে হলে সুন্দর একটা বিজনেস প্লান থাকতে হবে । পাঠকদের সুবিধার্থে হোম অফিস লিংক এখানে দেয়া হলোঃ https://www.gov.uk/tier-1-graduate-entrepreneur-visa/eligibility

অতীতে ইমিগ্রেশন রুলের প্যারা ৫৭-এর অধীনে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন বিবেচনা করা হতো। কিন্তু গত দশকের শেষের দিকে স্টুডেস্টস্ ভিসার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়েছে। পুরো স্টুডেন্টস্ ভিসা রেজিমটি পয়েন্টস্ বেইজড সিস্টেমের টিয়ার-৪ এর অধীনে ঢুকানো হয়েছে এবং তা ইমিগ্রেশন রুলের প্যারা ২৪৫ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

পয়েন্টস্ বেইজড সিস্টেমের টিয়ার-৪ কে আবার দুটি ক্যাটাগীরতে ভাগ করা হয়েছে: টিয়ার-৪ (জেনারেল) স্টুডেন্টস এবং টিয়ার-৪ (চাইল্ড) স্টুডেন্টস্। প্রথম ক্যাটাগরীতে ১৬ বছরের উপর বয়স্ক ছাত্র/ছাত্রীরা আসতে পারবেন।

অপরদিকে দ্বিতীয় ক্যাটাগরীতে ৪ থেকে ১৭ বছর বয়সের ছাত্র/ছাত্রীরা আসতে পারবে। বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয় ক্যাটাগরীর আবেদনকারীরা বাস্তবে খুবই নগন্য বিধায় আমাদের আলোচনাগুলো হবে প্রথম ক্যাটাগরীকে নিয়ে।

টিয়ার-৪ ক্যাটাগরীতে ভিসা পাবার জন্য মূলত: দুটি রিকোয়ারমেন্টে যথাযথ পয়েন্টস্ পেতে হবে। টিয়ার-৪ এর লাইসেন্সড স্পন্সর এর কাছ থেকে ভেলিড কমফারমেশন অব এক্সসেপ্টেন্স তথা সিওএস পেলে তাতে ৩০ পয়েন্টস্ পাওয়া যাবে আর মেইনটেনেন্স রিকোয়ারমেন্ট পূরণ করলে তাতে ১০ পয়েন্ট পাওয়া যাবে।

মোট এই ৪০ পয়েন্ট পেতে হবে স্টুডেন্ট ভিসা পেতে বা ব্রিটেনে বসবাসরত স্টুডেন্টদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে বা এক্সটেনশন করতে। এই রিকোয়ার্ড পয়েন্টস স্কোর করতে না পারলে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন বা ভিসার এক্সটেনশন করার আবেদন নাকচ করা হবে। আর সেই নাকচের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন না। বরং তারা এডমিনিস্ট্রেটিভ রিভিউ করার সুযোগ পাবেন।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026