শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বিদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। বাংলাদেশের সঙ্গে ১৫ লাখ কর্মী নেওয়ার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের এক দিনের মাথায় দেশটির পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলো। আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের খবরে এ কথা জানানো হয়।
বে
সরকারি রপ্তানিকারকদের যুক্ত করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় (জিটুজি প্লাস) বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে প্রায় ছয় বছর পর বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির অন্যতম বাজার মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পথ বড় আকারে খুলছে। আলোচনা আছে, তিন বছরে ১৫ লাখ কর্মী নেবে মালয়েশিয়া।
সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে সই করেন দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতো রিচার্ড রায়ত আনাক জায়েম। স্মারক সইয়ের পর মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় এলাকাভেদে ন্যূনতম মজুরি হলো প্রতি মাসে ৮০০ থেকে ৯০০ রিঙ্গিত (প্রায় ১৫ হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকা)। সে অনুযায়ীই বাংলাদেশের কর্মীরা মজুরি পাবেন।
মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী দাতুক আহমেদ জাহিদ হামিদি বলেন, আপাতত বিদেশ থেকে কর্মী নেবে না মালয়েশিয়া। স্টার অনলাইনের খবরে জানানো হয়, আহমেদ জাহিদ এখন দেশটির কোটা সামারান এলাকায় আছেন। সেখানে তিনি আরও বলেন, মালিকদের স্থানীয় শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামা জানিয়েছে, এক বৈঠকের পর দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি সব ‘সোর্স কান্ট্রি’ থেকে (জনশক্তি নেওয়ার জন্য মালয়েশিয়া সরকারের তালিকাভুক্ত দেশ) কর্মী নেওয়া স্থগিত রাখার এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এখন আমাদের কত শ্রমিক প্রয়োজন, সে বিষয়ে সরকার সন্তোষজনক তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত বিদেশ থেকে কর্মী নেওয়া স্থগিত থাকবে।