বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪১

ঈদের দিনে কারফিউ জারি

ঈদের দিনে কারফিউ জারি

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ঈদের দিনেও কারফিউ চলছে কাশ্মীরে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ঈদের দিনটিতে সমগ্র উপত্যকাজুড়েই কারফিউ জারি করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে দৈনিক পাকিস্তান উর্দূর।

নিষিদ্ধ করা হয়েছে ঈদের জামাত। সেই সঙ্গে বন্ধ রাখা হয়েছে মোবাইল পরিষেবা। নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সিসিটিভি, হেলিকপ্টার এবং ড্রোন। ফলে উৎসবের দিনেও কার্যত গৃহবন্দি থাকতে হচ্ছে কাশ্মীরিদের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্রে পুলিশের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা জানান, ঈদে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বড় ধরনের সহিংসতা চালানোর চেষ্টা করবে বলে খবর পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সে জন্যই আবারও কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কাশ্মীরের সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকের পর ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে ঈদে আজাদি মার্চ ও জাতিসংঘ পর্যবেক্ষকের দফতরের দিকে মিছিলের ডাক দেয় স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলনরত সংগঠনগুলোর জোট হুরিয়ত কনফারেন্স।

গত সপ্তাহে হুরিয়তের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ এবং জেলা পর্যায়ের ঈদগাহে জড়ো হয়ে সবাইকে আজাদি মার্চ এ শামিল হয়ে জাতিসংঘ পর্যবেক্ষকের দফতরের দিকে মিছিলের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

গত ৬৬ দিন ধরে কাশ্মীরে অচলাবস্থা চলছে। এর মধ্যে যে সহিংসতা ঘটেছে, তা কাশ্মীরের ইতিহাসে ভয়াবহতম। সাম্প্রতিক সহিংসতায় অন্তত ৮০ জন নাগরিকের প্রাণহানির ফলে কাশ্মীর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

প্রসঙ্গত, ৮ জুলাই অনন্তনাগের কোকেরনাগ এলাকায় সেনা ও পুলিশের বিশেষ বাহিনীর যৌথ অভিযানে হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানিসহ তিন হিজবুল যোদ্ধা নিহত হন। বুরহান নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে কাশ্মীর জুড়ে উত্তেজনা শুরু হয়।

বিক্ষুব্ধ কাশ্মীরিদের দাবি, বুরহানকে ‘ভুয়া এনকাউন্টারে’ হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রথমে পুলওয়ামা ও শ্রীনগরের কিছু অঞ্চলে কারফিউ জারি করা হয়। পরবর্তীতে বিক্ষোভ আরও জোরালো হলে পুরো কাশ্মীরজুড়ে কারফিউ সম্প্রসারিত হয়।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2025