আজ শুক্রবার পবিত্র জুমাবার। কবিরা গুনাহ বা মহাপাপ সম্পর্কে শীর্ষবিন্দু পাঠকদের জন্য তুলে ধরেছেন ইসলাম বিভাগের প্রধান ইমাম মাওলানা এম নুরুর রহমান। কবিরা গুনাহ বা মহাপাপ এমন সব অপরাধ, যা করা বা না করার কারণে পৃথিবীর আদালতে শাস্তির বিধান রয়েছে অথবা পরকালের বিচারে আছে শাস্তির হুঁশিয়ারি। তওবা ছাড়া কবিরা গুনাহ মাফ হয় না। কবীরা গুনাহ বলা হয় ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম সমূহকে যেগুলোতে নিন্মোক্ত কোন একটি বিষয় পাওয়া যাবে: যে সকল গুনাহের ব্যাপারে ইসলামে শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। যে সকল গুনাহের ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দণ্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে। যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন। যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ফেরেশতা মণ্ডলী লানত দেন। যে কাজের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যে এমনটি করবে সে মুসলমানদের দলভুক্ত নয়। কিংবা যে কাজের ব্যাপারে আল্লাহ ও রাসূলের সাথে সম্পর্কহীনতার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। যে কাজে দ্বীন নাই, ঈমান নাই ইত্যাদি বলা হয়েছে। যে ব্যাপারে বলা হয়েছে এটি মুনাফিকের আলামত বা মুনাফিকের কাজ। বিস্তারিত পড়ুন
আজ শুক্রবার পবিত্র জুমাবার। আল-কোরআনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি শীর্ষবিন্দু পাঠকদের জন্য তুলে ধরেছেন ইমাম মাওলানা এম নুরুর রহমান। পারাঃ পবিত্র কুরআনে মোট ৩০ টি পারা বা অধ্যায় রয়েছে। এই পারাগুলোর মাধ্যমে ১১৪ টি সূরা ভাগ করে দেয়া হয়েছে। সূরাগুলো বিভিন্ন আকারের হলেও কুরআনের পারাগুলো প্রায় সমান আকারের। কুরআন মুখস্থকরণের ক্ষেত্রে সাধারণতম পারা অনুযায়ী শিক্ষা করানো হয়। যেসকল স্থানে সমগ্র কুরআন পাঠের আয়োজন করা হয় সেখানেও এই পারা অনুযায়ী করা হয়। ভিন্ন বিষয়ক আয়াত আদেশমুলক আয়াত= ১০০০ নিষেধমুলক আয়াত= ১০০০ ভীতিমুলক আয়াত= ১০০০ প্রতিজ্ঞামুলক আয়াত= ১০০০ দৃষ্টান্তমুলক আয়াত=১০০০ ইতিহাসমুলক আয়াত= ১০০০ প্রশংসামুলক আয়াত= ২৫০ বিস্তারিত পড়ুন
শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বিশেষ ধরনের চীনা কাগজে লিখিত কোরআনের একটি পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠা এবং প্রচ্ছদে স্বর্ণের কাজ করা রয়েছে। পঞ্চদশ শতাব্দীর কোরআনের এই বিরল পাণ্ডুলিপি সম্প্রতি ৭০ লাখ ১৬ হাজার পাউন্ডে বিস্তারিত পড়ুন
ইমাম মাও: এম.নুরুর রহমান: দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার দারসুল হাদিস হজরত আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করিম (সা) ইরশাদ করেছেন : দুনিয়া ঈমানদারের বন্দিশালা এবং কাফিরের জান্নাত বিস্তারিত পড়ুন
আমিন ইকবাল: হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালার নিরানব্বইটি নাম রয়েছে। একশো থেকে একটি কম। যে এই নামগুলি মনে রাখবে, বিস্তারিত পড়ুন
ইমাম মাওলানা এম নুরুর রহমান: আল্লাহর নিকট উত্তম আমল হল, আল্লাহর যিকির করা। প্রমাণ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, «أحب الأعمال إلى الله أن تموت ولسانك رطب من ذكر الله». বিস্তারিত পড়ুন
ইমাম মাওলানা এম নুরুর রহমান: মুসলিম হয়েও জাহান্নামে যাবে যারা: ১) যে হারাম খাবার খায়: যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (বায়হাকি/৫৫২০) ২) আত্মীয়তার বিস্তারিত পড়ুন
মাওলানা নুরুর রহমান: পবিত্র রমজান মাসের রোজার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখার গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম। রমজান মাস শেষ। শাওয়ালের প্রথম মুমিন মুসলমান ঈদ আনন্দ উদযাপন করে। ঈদ পরবর্তী শাওয়াল বিস্তারিত পড়ুন
অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ূম: আজ মধ্যেপ্রাচ্য, ব্রিটেন, ইউরোপসহ আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় ৩০ রমজান। আজ সূর্য অস্ত গেলে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাবে আর আগামীকাল উদযাপিত হবে সিয়াম ভাঙার আনন্দ উৎসব অর্থাৎ বিস্তারিত পড়ুন
সদকাতুল ফিতর’—এখানে দুটি আরবী শব্দ রয়েছে। এক. ‘সদকা’, দুই. ‘ফিতর’। সদকা মানে দান, আর ফিতর মানে রোযারসমাপন বা ঈদুল ফিতর। অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের নামাযের আগে আদায় করা সদকাকেই সদকাতুল ফিতর বলা হয়। এ ছাড়া এটিকে যাকাতুল ফিতর বা ফিতরাও বলা হয়ে থাকে। শরীয়ত মতে, সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে: হযরত ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) সদকাতুল ফিতর অপরিহার্য করেছেন। এর পরিমাণ হলো, এক সা জব বা এক সা খেজুর। ছোট-বড়, স্বাধীন-পরাধীন—সবার ওপরই এটি ওয়াজিব। (বুখারি শরীফ, হাদীস : ১৫১২) সদকাতুল ফিতর কেন? এটি যাকাতের মতো একটি আর্থিক ইবাদত। পবিত্র মাহে রমযানে সিয়াম পালনকালে মানুষের যে ভুলত্রুটি হয়ে যায়, সেই ত্রুটি-বিচ্যুতির ক্ষতিপূরণ হিসেবে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি ইবাদতের নাম। সদকাতুল ফিতরকেমহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পবিত্র উপহার হিসেবেও চিহ্নিত করা যেতে পারে। আমাদের সমাজে সদকাতুল ফিতরের উদ্দেশ্য হিসেবে শুধু ‘গরিব-দুঃখীদের ঈদের খুশিতে শরীক করা’ দেখা হয়ে থাকে। মূলত এই ধারণা যথার্থ নয়। কেননা হাদীস শরীফে সদকাতুল ফিতরকে ‘কাফফারাতুন লিসসাওম’—রোযা অবস্থায় অবচেতনভাবে যে ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে যায়, তার কাফফারা বা ক্ষতিপূরণ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। সদকাতুল ফিতর কার উপর ওয়াজিব? ঈদের দিন সকাল বেলায় যিনি নিসাব পরিমাণ সম্পদের (সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা বা সমমূল্যের ব্যবসায়িক পণ্যের) মালিক থাকবেন, তাঁর নিজের ও পরিবারের ছোট–বড় সবার পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা তাঁর প্রতি ওয়াজিব। ইসলামী বিধান অনুযায়ী সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব (ফরজের কাছাকাছি)। মৌলিক চাহিদার অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে এক সা পরিমাণ যব, খেজুর, পনির কিংবা কিসমিস কিংবা এর সমপরিমাণ টাকা আদায় করতে হবে। সদকায়ে ফিতর আদায় করা না হলে বড় গুনাহগার হবেন। এ বছর ফিতরার পরিমাণ কত? ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক এ বছর (২০২০) জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার টাকা। ইংল্যান্ড £৫ থেকে £১৫ সাদকাতুল ফিতর মুসলিম নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, আজাদ-গোলাম সকলের উপর ওয়াজিব। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসে আজাদ, গোলাম, নারী-পুরুষ, ছোট-বড় সকল মুসলিমের উপর একসা’ খেজুর, বা এক সা’ যব সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করেছেন। পেটের বাচ্চার পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর দেয়া ওয়াজিব নয়, কিন্তু কেউ যদি আদায় করে, তাহলে নফল সদকা হিসেবে আদায় বিস্তারিত পড়ুন