বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮:০১

মুসলিম হয়েও জাহান্নামে যাবে যারা

 ইমাম মাওলানা এম নুরুর রহমান: মুসলিম হয়েও জাহান্নামে যাবে যারা: ১) যে হারাম খাবার খায়: যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (বায়হাকি/৫৫২০) ২) আত্মীয়তার বিস্তারিত পড়ুন

শাওয়াল মাসের ছয় দিন সিয়াম পালনের সাওয়াব

মাওলানা নুরুর রহমান: পবিত্র রমজান মাসের রোজার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখার গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম। রমজান মাস শেষ। শাওয়ালের প্রথম মুমিন মুসলমান ঈদ আনন্দ উদযাপন করে। ঈদ পরবর্তী শাওয়াল বিস্তারিত পড়ুন

বিদায় মাহে রমজান

অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ূম: আজ মধ্যেপ্রাচ্য, ব্রিটেন, ইউরোপসহ আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় ৩০ রমজান। আজ সূর্য অস্ত গেলে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাবে আর আগামীকাল উদযাপিত হবে সিয়াম ভাঙার আনন্দ উৎসব অর্থাৎ বিস্তারিত পড়ুন

সদকাতুল ফিতর

সদকাতুল ফিতর’—এখানে দুটি আরবী শব্দ রয়েছে। এক. ‘সদকা’, দুই. ‘ফিতর’। সদকা মানে দান, আর ফিতর মানে রোযারসমাপন বা ঈদুল ফিতর। অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের নামাযের আগে আদায় করা সদকাকেই সদকাতুল ফিতর বলা হয়। এ ছাড়া এটিকে যাকাতুল ফিতর বা ফিতরাও বলা হয়ে থাকে। শরীয়ত মতে, সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে: হযরত ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) সদকাতুল ফিতর অপরিহার্য করেছেন। এর পরিমাণ হলো, এক সা জব বা এক সা খেজুর। ছোট-বড়, স্বাধীন-পরাধীন—সবার ওপরই এটি ওয়াজিব। (বুখারি শরীফ, হাদীস : ১৫১২) সদকাতুল ফিতর কেন? এটি যাকাতের মতো একটি আর্থিক ইবাদত। পবিত্র মাহে রমযানে সিয়াম পালনকালে মানুষের যে ভুলত্রুটি হয়ে যায়, সেই ত্রুটি-বিচ্যুতির ক্ষতিপূরণ হিসেবে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি ইবাদতের নাম। সদকাতুল ফিতরকেমহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পবিত্র উপহার হিসেবেও চিহ্নিত করা যেতে পারে। আমাদের সমাজে সদকাতুল ফিতরের উদ্দেশ্য হিসেবে শুধু ‘গরিব-দুঃখীদের ঈদের খুশিতে শরীক করা’ দেখা হয়ে থাকে। মূলত এই ধারণা যথার্থ নয়। কেননা হাদীস শরীফে সদকাতুল ফিতরকে ‘কাফফারাতুন লিসসাওম’—রোযা অবস্থায় অবচেতনভাবে যে ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে যায়, তার কাফফারা বা ক্ষতিপূরণ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। সদকাতুল ফিতর কার উপর ওয়াজিব? ঈদের দিন সকাল বেলায় যিনি নিসাব পরিমাণ সম্পদের (সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা বা সমমূল্যের ব্যবসায়িক পণ্যের) মালিক থাকবেন, তাঁর নিজের ও পরিবারের ছোট–বড় সবার পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা তাঁর প্রতি ওয়াজিব। ইসলামী বিধান অনুযায়ী সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব (ফরজের কাছাকাছি)। মৌলিক চাহিদার অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে এক সা পরিমাণ যব, খেজুর, পনির কিংবা কিসমিস কিংবা এর সমপরিমাণ টাকা আদায় করতে হবে। সদকায়ে ফিতর আদায় করা না হলে বড় গুনাহগার হবেন। এ বছর ফিতরার পরিমাণ কত? ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক এ বছর (২০২০) জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার টাকা। ইংল্যান্ড £৫ থেকে £১৫ সাদকাতুল ফিতর মুসলিম নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, আজাদ-গোলাম সকলের উপর ওয়াজিব। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসে আজাদ, গোলাম, নারী-পুরুষ, ছোট-বড় সকল মুসলিমের উপর একসা’ খেজুর, বা এক সা’ যব সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করেছেন। পেটের বাচ্চার পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর দেয়া ওয়াজিব নয়, কিন্তু কেউ যদি আদায় করে, তাহলে নফল সদকা হিসেবে আদায় বিস্তারিত পড়ুন

রমজানের শেষভাগে তওবার গুরুত্ব খুব বেশি

লিয়াকত আলী: রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানুল মোবারকের আজ বাইশ তারিখ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম রমজানের শেষভাগকে জাহান্নাম থেকে মুক্তির ধাপ বলে ঘোষণা করেছেন। সুতরাং আজ নাজাতের দশকের বিস্তারিত পড়ুন

রমজানের গুরুত্বপূর্ণ আমল ‘ইতিকাফ‘

রহমত, বরকত আর নাজাতের বার্তা নিয়ে হাজির হয় মাহে রমজান। রমজানের শেষ দশকের গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে- ইতিকাফ। ইতিকাফ শব্দটি আরবি। এর অর্থ অবস্থান করা। পরিভাষায় ইতিকাফ বলা হয় আল্লাহর নৈকট্য বিস্তারিত পড়ুন

লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও তাৎপর্য

শবে কদর (আরবি: لیلة القدر‎‎) আরবিতে লাইলাতুল কদর। এর অর্থ অতিশয় সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত বা পবিত্র রজনী। আরবি ভাষায় ‘লাইলাতুল’ অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী এবং ‘কদর’ শব্দের অর্থ বিস্তারিত পড়ুন

রমজানে কোনো দেশে ২২ ঘণ্টা কোথাও ১১ ঘণ্টা রোজা পালন

ইসলাম থেকে ডেস্ক: পবিত্র মাহে রমজানে পৃথিবীর সবদেশের মুসলমানরা গভীর তাকওয়া নিয়ে পালন করছেন সিয়াম-সাধনা। কোনো মুসলমান যদি রমজান মাসের একটি ফরজ রোজাও ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করেন, তাহলে তিনি বড়ো গুনাহগার বিস্তারিত পড়ুন

কোরআন নাজিলের মাস রমজান

রমজান কোরআন নাজিলের মাস, আসুন! বেশী বেশী কোরআন তেলাওয়াত করি। রমজান কোরআন নাজিলের মাস। এ মাসেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাই এ মাসের সাথে পবিত্র কুরআনের বড় সম্পর্ক রয়েছে। মানুষের ইহলৌকিক কল্যাণ ও পারলৌকিক মুক্তির দিগদর্শণ মুসলিম উম্মাহর জন্য শ্রেষ্ঠতম নিয়ামত আল্লাহর বাণী পবিত্র ‘আল-কোরআন’। এটি বিশ্বমানবতার মুক্তিদূত মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:) এর প্রতি আল্লাহর কাছ থেকে জিবরাইল ফেরেশতা মারফত  সুদীর্ঘ ২৩ বছরে অবতীর্ণ হয়। কোরআন মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও মুক্তির দিশারি বা পথপ্রদর্শক। পবিত্র কোরআনকে সর্বকালের, সর্বদেশের, সর্বলোকের জীবনবিধান ও মুক্তির সনদ হিসেবে আল্লাহ তাআলা ওহীর মাধ্যমে নাজিল করেছেন। পবিত্র কোরআন নাজিলের ছয় মাস আগে থেকেই আল্লাহ তাআলা উনার পেয়ারে হাবিব হযরত মুহম্মদ (সা:) কে স্বপ্নের মাধ্যমে এ মহান কাজের জন্য প্রস্তুত করে নিচ্ছিলেন। মানুষের ইহলৌকিক কল্যাণ ও পারলৌকিক মুক্তির দিগদর্শণ মুসলিম উম্মাহর জন্য শ্রেষ্ঠতম নিয়ামত আল্লাহর বাণী পবিত্র’আল-কোরআন’। এটি বিশ্বমানবতার মুক্তিদূত মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:) এর প্রতি আল্লাহর কাছ থেকে জিবরাইল ফেরেশতা মারফত সুদীর্ঘ ২৩বছরে অবতীর্ণহয়। কোরআন মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও মুক্তির দিশারি বা পথপ্রদর্শক। পবিত্র কোরআনকে সর্বকালের, সর্বদেশের, সর্বলোকের জীবনবিধান ও মুক্তির সনদ হিসেবে আল্লাহ তাআলা ওহীর মাধ্যমে নাজিল করেছেন। পবিত্র কোরআন নাজিলের ছয় মাস আগে থেকেই আল্লাহ তাআলা উনার পেয়ারে হাবিব হযরত মুহম্মদ (সা:) কে স্বপ্নের মাধ্যমেএ মহান কাজের জন্য প্রস্তুত করে নিচ্ছিলেন। হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (আ:) হতে বর্ণিত আছে, প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা:) এর উপর ওহী নাজিলের সূচনা হয়েছিল স্বপ্নেরমাধ্যমে। তিনি  স্বপ্নে যা দেখতেন তা দিনের আলোর মতো তাঁর জীবনে প্রতিভাত হতো। হযরত জিবরাইল (আ:) এর মাধ্যমে ওহী প্রাপ্তির আগে আস্তে আস্তে তিনি নির্জনতা প্রিয় হয়ে ওঠেন, হেরা গুহায় নিভৃতে আল্লাহতাআলার ধ্যানে তিনি মশগুল হয়ে পড়েন এবং বিশাল সৃষ্টি ও তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে গভীর চিন্তা ভাবনা করতে থাকেন। খাবার পানি শেষ হয়ে গেলে সেসব নেয়ার জন্যেই তিনি শুধু বাড়ি যেতেন। মাঝে মাঝে উনার অতি প্রিয় সহধর্মিণী হযরত বিবি খাদিজা (আ:) উনাকে হেরা গুহায় খাবার দিয়ে আসতেন। একদিন জিবরাইল (আ:) হযরত মুহম্মদ (সা:) এর কাছে এসে গভীর কণ্ঠে তাঁকে বলেন ‘ইকরা’ পড়ুন। প্রিয় নবী (সা:) বিস্ময়েহতবাক হয়ে গেলেন। উদ্বেলিত কণ্ঠে তাকে বললেন ‘আমি তো পড়তে জানি না’। জিবরাইল (আ:) তখন হুজুরে পাক হযরত মুহম্মদ (সা;) কে বুকে চেপে ধরে আবার বলেন, পড়ুন। তৃতীয় বার যখন জিবরাইল(আ:) তাঁকে বুকে আলিংগন করে ছেড়ে দিয়ে বলেন, পড়ুন! তখন হুজুরে পাক (সা:) ওহীর প্রথম পাঁচটি আয়াত [পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেনমানুষকে জমাট রক্তপিন্ড থেকে। পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু, যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন, শিক্ষাদিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না। -সূরা আলাক্ব: প্রথম পাঁচ (১ – ৫) আয়াত।] পড়লেন। তারপর সাথ সাথে হযরত জীবরাঈল(আ:) সেখান থেকে চলে গেলেন। এই হল পবিত্র কোরআন নাজিলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। এখন আমরা জানবো পবিত্র কোরআনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি- * ৬১০ খ্রিস্টাব্দ ও রমজান মাসের কদরের রজনীতে হেরা পর্বতের গুহায় সর্বপ্রথম কোরআন অবতীর্ণ হয়। * অবতীর্ণের মোট সময়কাল ২২ বছর পাঁচ মাস ১৪ দিন। * প্রথম নাজিলকৃত পূর্ণ সুরা হলো সুরা ফাতিহা। * সর্বপ্রথম নাজিলকৃত কোরআনের আয়াত হলো সুরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত। * কোরআনের প্রথম শব্দ হলো ‘ইকরা’—তুমি পড়ো। * কোরআনের সর্বশেষ নাজিলকৃত সুরা হলো সুরা আন-নসর এবং সর্বশেষ নাজিলকৃত আয়াত হলো সুরা বাকারার ২৮১ নম্বরআয়াত। বিস্তারিত পড়ুন

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

খোশ আমদেদ মাহে রমজান! শুরু হলো মহিমান্বিত মাস রমজান। বিশ্ব মুসলিমের কাছে সবচেয়ে মর্যদাপূর্ণ মাস এটি। এমাসেই মহান আল্লাহ  তায়ালা বিশ্ব মানবতার মুক্তি পথনির্দেশক হিসেবে নাযিল করেছেন আল কুরআন। কুরআন হলো মানুষেরজন্য আল্লাহর  পক্ষ থেকে পাঠানো সর্বশেষ হেদায়াতের গ্রন্থ। কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের জন্য আর কোনো আসমানী কিতাবআসবে না। আর তাই কিয়ামত পর্যন্ত মানুষকে সুন্দরভাবে তার জীবন চালাবার জন্য যা দরকার তার সবই আল্লাহ কুরআনেবলে দিয়েছেন। কুরআন নাযিলের কারণে এ মাসের এতো মর্যাদা। রমজান মাস সিয়াম সাধনার মাস। রমজানকে ধৈর্য ও সংযম সাধনার মাস বলা হয়। কারণ এ মাসে সকল পাপ কার্য থেকে মুক্ত থাকার জন্য ধৈর্য, সংযম ও সহিষ্ণুতার কঠোর প্রশিক্ষন নিতে হয়। রমজানের এই এক মাসের সিয়াম সাধনা অর্থাৎ অন্যায়অপকর্ম তথা সব ধরণের গোনাহর কাজ থেকে বিরত থাকার কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জিত প্রশিক্ষণ বছরের বাকী ১১ মাসসঠিক পথে চলতে সবাইকে অনুপ্রাণিত করে থাকে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্থ পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ এবং ইন্দ্রিয়জ সুখ আস্বাদনথেকে বিরত থাকাই হচ্ছে সিয়াম বা রোজার প্রধান বৈশিষ্ট্য। শুধু মহানবী (সাঃ) এর মাধ্যমে প্রেরিত ইসলাম ধর্মেই যে সিয়ামসাধনা রয়েছে তা নয়, মহান আল্লাহ পাক অতীতে অন্যান্য নবী রসুলদের মাধ্যমে প্রেরিত ধর্মেও রোজার  বিধান ছিলো। আল্লাহ  তায়ালা সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানুষকে মুত্তাকী হওয়ার কথা বলেছেন। মুত্তাকী হওয়ার মানে তাকওয়া বা খোদাভীরুতাঅর্জন। কারণ একজন খোদাভীরু মানুষ অন্যায় বা গোনাহর কাজ থেকে বিরত থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এভাবে মহান সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সৎকর্মশীল পূণ্যবান মানুষ হিসেবে নিজেকে গঠনের হাতিয়ার হিসেবে সিয়াম অর্থাৎ রোজা অনুশীলনের বিধানবাধ্যতামূলক করে  দিয়েছেন। এ অবস্থায় আমাদের উচিত, যথাযথভাবে এই ঐশী বিধান পালন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, এইপবিত্র মাসেও একশ্রেণীর মানুষকে দেশ ও জাতির তথা মানুষের জন্য   ক্ষতিকর  কর্ম থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করতে দেখা যায়না। বরং অনেককে এই পবিত্র মাসকে পুঁজি করে অধিক মুনাফা অর্জনের লোভ লালসায় জড়িত হতে দেখা যায়। অসৎ আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও মজুতদারদের বিভিন্ন নিত্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ ও সীমিত আয়ের মানুষকে সীমাহীন আর্থিক কষ্টে ফেলতে দেখা যায়। সুরা বাকারাহ ১৮৫ شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِنَ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍفَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ يُرِيدُ اللَّهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُوا الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ রমযান মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে মানুষের জন্য হিদায়াতস্বরূপ এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে অসুস্থহবে অথবা সফরে থাকবে তবে অন্যান্য দিবসে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আল্লাহ তোমাদের সহজ চান এবং কঠিন চান না। আরযাতে তোমরা সংখ্যা পূরণ কর এবং তিনি তোমাদেরকে যে হিদায়াত দিয়েছেন, তার জন্য আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা কর এবং যাতেতোমরা শোকর কর। মজান মাস রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস। রমজান পেয়েও যে ব্যক্তি এই রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মহা সুযোগকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়, তাকে দুর্ভাগা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আল্লাহর দরবারে অতীতের গোনাহ মাফ করিয়ে নেওয়াএবং অসীম পূণ্যলাভের সুযোগ এনে দেয় এই পবিত্র মাস। এই মাসে মহাগ্রন্থ আল কোরআন নাজেল হয়। শবে ক্বদরের রাতে অবতীর্ণ হয় এই ঐশীগ্রন্থ, মহান দিক নির্দেশক ও পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। আল্লাহ পাক শবে ক্বদরের রাতকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলে উল্লেখ করেছেন। এই মহান রাতকে ধারণ করে আছে রমজান মাস। সিয়াম সাধনার পাশাপাশি এই মহান রাতে ইবাদত বন্দেগীর সুযোগকে কাজে লাগানো সকল বিশ্বাসী মুসলমানের একান্ত কর্তব্য। মানব জাতির ইতিহাসকে বদলে দিয়ে সঠিক ও সভ্যতার সঠিক পথে পরিচালনাকারী ঐশীগ্রন্থ আল কোরআনের মাস রমজান যেনো আমরা সত্য ও সঠিক পথে নিজেদের চালিত করার ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারি মহান আল্লাহর দরবারে রমজানের শুরুতে এই প্রার্থনা। রোজা সম্পর্কে ৫ হাদিস ১) হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বিস্তারিত পড়ুন



All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026